হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন ইয়ামাল। আসন্ন বিশ্বকাপে এই তরুণ ফরোয়ার্ড অন্যতম ভরসা স্পেনের। বার্সেলোনার হয়ে খেলতে নেমে এপ্রিলের মাঝামাঝি তার চোটে পড়া দুশ্চিন্তায় ফেলে স্প্যানিশদের। তবে লামিনে ইয়ামাল ইতোমধ্যেই মাঠের অনুশীলনে নেমে পড়েছেন।
অনুশীলনে ফিরেছেন ইয়ামাল এটাই এখন সবচেয়ে স্বস্তির খবর স্পেনের জন্য। যদিও তার যে ইনজুরি তা কাটিয়ে বিশ্বকাপের মধ্যেই ফিরবেন এমনটি জানানো হয়েছিল। সেই মোতাবেক তার ক্লাব স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সর্বোচ্চ মানের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া হাতে নেয়।
এপ্রিলের মাঝামাঝি লা লিগায় সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে পেশির চোটে পড়েন লামিনে ইয়ামাল। এরপরই শোনা যায়, লিগ মৌসুম শেষ হয়ে গেছে এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডের। এমনকি বিশ্বকাপে শুরুর ম্যাচগুলোতেও ইয়ামালের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয় শঙ্কা। তবে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে আশা করছেন, বিশ্বকাপে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন বার্সেলোনার এই উইঙ্গার।

বার্সেলোনায় ঘাসের মাঠে ইতোমধ্যে অনুশীলন শুরু করেছেন ইয়ামাল। ইনজুরি কাটিয়ে সেরে ওঠার পথে এটি তার জন্য অনেক বড় একটি অগ্রগতি হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। আসন্ন বিশ্বকাপ ঘিরে নিজ ক্যাম্পে নিয়মমাফিক পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এই ফরোয়ার্ড।
অনুশীলনে ফিরেছেন ইয়ামাল, যা জানা যাচ্ছে
ইয়ামালের মাঠে ফেরা নিয়ে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বার্সেলোনাতেই ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার অংশ হিসেবে অনুশীলনে ফিরেছেন ইয়ামাল। ক্লাবের ট্রেনিং কমপ্লেক্সে তিনি এখন মাঠে একা অনুশীলন করছেন। এর আগে পুনর্বাসনের প্রথম দিকে তিনি শুধু জিমেই কাজ করছিলেন।
গত ২২ এপ্রিল তার বাম পায়ের বাইসেপস ফেমোরিসে মাংসপেশির কিয়দংশ ছিঁড়ে যায়। পরে বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ অস্ত্রোপচারের বদলে রক্ষণশীল চিকিৎসা পদ্ধতি বেছে নেয়। লা লিগার বাকি ম্যাচগুলোতে ইয়ামালকে আর মাঠে দেখা যাবে না সেটি তারা আগেই নিশ্চিত করে।

এখন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সামনে রেখে তার মাঠে ফেরার এই খবরটি স্পেনের জাতীয় দল এবং এই তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য দারুণ অনুপ্রেরণার। স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, টুর্নামেন্টের আগে ইয়ামাল যদি চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পান, তবে তিনি স্পেনের পরিকল্পনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবেন।
মৌসুমের শেষ দিকে চোটে পড়া খেলোয়াড়দের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা খুব গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। কারণ আমরা জানি এই ধরণের ম্যাচে তারা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। গ্রুপ পর্বে খেলা আর শেষ ৩২, শেষ ১৬ বা কোয়ার্টার ফাইনালের মতো ম্যাচে খেলা এক নয়। আমরা প্রতিটি খেলোয়াড়ের পরিস্থিতি আলাদা করে মূল্যায়ন করব, কারণ আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ১৯ জুলাইয়ের ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানো।’
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















