বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যতের রাজা নিয়ে কথা উঠলেই স্পটলাইট নিজে থেকেই এসে পড়ছে লামিনে ইয়ামালের ওপর। কৈশোর পেরোনোর আগেই বার্সেলোনার জার্সিতে যেভাবে রেকর্ড ভেঙে চলেছেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড, তাতে তাকে ঘিরে “বিশ্বসেরা” হওয়ার আলোচনা আর কল্পনা নয়, বাস্তব সম্ভাবনা। কঠোর পরিশ্রম, মানসিক দৃঢ়তা আর ধারাবাহিক ফিটনেস ধরে রাখতে পারলে একদিন সেরা হওয়া ইয়ামালের জন্য অসম্ভব নয়। তবে এখন ইয়ামালকে নিয়ে এই মুহুর্তে আলোচনা হচ্ছে পাওলো ফুত্রের এক মন্তব্য নিয়ে। যে তিনি বলেন, ইয়ামালের দ্রুত একজন বান্ধবী খুঁজে নিতে হবে ।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কিংবদন্তি পাওলো ফুত্রে মনে করেন, বিশ্বসেরার পথে ইয়ামালের জন্য দরকার একেবারেই ভিন্ন কিছু। ‘এল কাফেলিতো’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,
“লামিনে ইয়ামাল বিশ্বের সেরা হবে, কিন্তু তার আগে তাকে দ্রুত একজন বান্ধবী খুঁজে নিতে হবে।”
এই মন্তব্যে বিস্মিত হন সঞ্চালক হোসেপ পেদ্রেরোল। কেন এমন কথা বলছেন জানতে চাইলে ফুত্রে যোগ করেন,
“ইয়ামাল এখনও খুব তরুণ। তার একজন বান্ধবী থাকা দরকার।”
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা টেনে এনে ফুত্রে ব্যাখ্যা করেন বিষয়টি। তার ভাষায়,
“যেদিন আমার বাচ্চাদের মায়ের সঙ্গে পরিচয় হয়, সেদিন থেকেই আমি শতভাগ পেশাদার ফুটবলার হতে শুরু করি।”
তিনি স্পষ্ট করেন,
সম্পর্ক তাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছিল। বাইরে ঘোরাঘুরি কমে গিয়েছিল, মনোযোগ বেড়েছিল ফুটবলে। পোর্তোর ড্রেসিংরুমে তার অবস্থানও তখন বদলে যায়।
ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন অবশ্য এরই মধ্যে একাধিকবার আলোচনায় এসেছে। তরুণ এই ফরোয়ার্ড আগে সম্পর্কে ছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার অ্যালেক্স পাদিল্লার সঙ্গে। পরে তার নাম জড়ায় আর্জেন্টাইন পপ তারকা নিকি নিকোলের সঙ্গে। গত জুনে ইয়ামালের ১৮তম জন্মদিনের সময় এই সম্পর্ক নিয়ে চর্চা তুঙ্গে ওঠে। বার্সেলোনার ম্যাচে গ্যালারিতে নিয়মিত দেখা যেত নিকোলকে। এমনকি চ্যাম্পিয়নস লিগে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে গোল করে তার দিকেই উড়ন্ত চুমু ছুড়ে দেন ইয়ামাল।
তবে আলোচিত সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৬৭ দিনের বেশি টেকেনি এই সম্পর্ক। এখন আপাতত একাই আছেন ইয়ামাল।
তবে মাঠের পারফরম্যান্সে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। গোলমুখের সামনে নিজের কাজ ঠিকই করে যাচ্ছেন বার্সেলোনার এই বিস্ময়বালক। এখন দেখার বিষয়, বিশ্বসেরা হওয়ার পথে পাওলো ফুত্রের এই অদ্ভুত কিন্তু অভিজ্ঞতালব্ধ পরামর্শ তিনি আদৌ গুরুত্ব দেন কি না।
