ভারতে আটকা জিম্বাবুয়ে , দেশে ফেরা নিয়ে যা বার্তা রাজার। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অপরাজিত থেকে সুপার এইটে অংশ নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বড় চমক ছিল অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেওয়া। সব মিলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ চমক দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে।
তবে বিশ্বকাপে থেকে বিদায় নিয়ে এখনোও দেশে ফেরা হয়নি জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলটির। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে আকাশপথে জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা এখনো ভারতে অবস্থান করছে। এরমধ্যেই দলকে নিয়ে বার্তা দিয়েছেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।
প্রথম পর্বে অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্স করেছিল জিম্বাবুয়ে। তবে সুপার এইটে একটিও ম্যাচেও লড়াই জমাতে পারেনি তারা। দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিপক্ষে রীতিমতো উড়ে গেছে দলটি।
এই অবস্থায় এক্সে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তিনি লিখেছেন,
এখন আবেগ থিতিয়ে এসেছে, মনেও এসেছে শান্তি ও স্বচ্ছতা। তাই আরেকবার বলতে চাই, এই দলকে নিয়ে আমি কতটা গর্বিত এবং তারা যা অর্জন করেছে তা কতটা বড়।
এছাড়া প্রথম পর্বে ধারাবাহিক সাফল্য, আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিং সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ে ছিল চমক জাগানো দলগুলোর একটি। সুপার এইটে ওঠার মধ্য দিয়ে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিশ্বকাপের সুপার এইটে আশানুরূপ ফল না পেলেও যে সম্মান অর্জন করেছেন তার জন্যও খুশি রাজা,
ফলাফল অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কিছু বিষয় তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ-আর ‘সম্মান নিঃসন্দেহে তার একটি।
ফলাফলের বাইরে গিয়ে সম্মান, লড়াই ও কৃতজ্ঞতার যে বার্তা দিয়েছেন রাজা তা জিম্বাবুয়ের এবারের বিশ্বকাপ অভিযানে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্বকাপের আয়োজক ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন রাজা। তার ভাষায়,
আমাদের আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানানোর সময় এসেছে। ভারতীয়দের ভালোবাসা, সমর্থন ও সম্মানের জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।
এছাড়া বার্তার শেষে ভারত থেকে দেশে ফেরার বিষয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সিকান্দার রাজা আরও লিখেছেন,
শিগগিরই ঘরে দেখা হবে, ইনশা আল্লাহ।
উল্লেখ্য, ইরানের সাথে চলমান সংখাতে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা আংশিক বন্ধ থাকায় একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই প্রভাবেই জিম্বাবুয়ে দলের ভ্রমণ পরিকল্পনায় বিলম্ব হচ্ছে। তবে খুব সহজেই এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে মনে কছেন না বিশ্লেষকরা।
