আফগানদের হারিয়ে এশিয়া কাপের শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখলো টাইগাররা। গতকাল রোমাঞ্চক লড়াইয়ে আফগানদের ৮ রানে হারায় লিটন দাসের দল। বাংলাদেশের দেওয়া ১৫৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায় রশিদ খানের দল।
এ জয়ের ফলে শেষ চারের আশা বেঁচে থাকলো। তবে তার জন্য গ্রুপ ‘বি’ আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচের দিকে চেয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। সেই ম্যাচে আফগানিস্তান হারলে শ্রীলঙ্কাকে সাথে নিয়ে শেষ চারে উঠবে বাংলাদেশ।
আর আফগানিস্তান জিতলে তিন বাংলাদেশ,শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের পয়েন্ট হবে চার করে। তখন রান রেটে এগিয়ে থাকা দুই দল শেষ চারে উঠবে। এ দিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ বোলিং করেছে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজ তিনটি এছাড়া নাসুম,তাসকিন ও রিশাদ দুটি করে উইকেট নেন।
এর আগে আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন তামিম। ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। বিশেষ করে তামিম। এই তরুণ ওপেনার পাওয়ার প্লেতে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন।
এক প্রান্তে তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও আরেক প্রান্তে রান তুলতে বেশ ভুগেছেন সাইফ। শুরুতে বেশ কিছু ডট খেলেছেন তিনি। তবে তামিম আরেক প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করায় রানের চাকা সচল ছিল। সাইফ উইকেটে থিতু হয়েও সেটা পুষিয়ে দিতে পারেননি। পাওয়ার প্লে শেষেই ফিরেছেন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ২৮ বলে করেছেন ৩০ রান।
তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি লিটন দাস। দেখে-শুনে খেলে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছিলেন লিটন, তবে নূর আহমেদের করা প্রথম বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন। ১১ বলে ৯ রান করেছেন তিনি। লিটন দ্রুত ফিরলেও এক প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করেছেন তামিম। স্পর্শ করেছেন ব্যক্তিগত ফিফটি। ২৮ বলে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। ফিফটির পর অবশ্য আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। নূরকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে ইব্রাহিম জাদরানের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। তার আগে ৩১ বলে ৫২ রান করেছেন এই ওপেনার।
পাঁচে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে চেয়েছিলেন শামিম হোসেন। তবে হিতে বিপরীত হয়েছে। রশিদকে আক্রমণ করতে গিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েছেন। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১১ রান। মিডল অর্ডারে তাওহিদ হৃদয় উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২০ বল খেলে ২৬ রান করেছেন তিনি।
শেষদিকে জাকের আলি বেশ ভুগেছেন। আফগানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপরীতে রান করতে রীতিমতো সংগ্রাম করেছেন। ১৩ বল খেলে অপরাজিত ১২ রান করেছেন তিনি। তবে নুরুল হাসান সোহান ভালো ব্যাটিং করেছেন। তার ৬ বলে অপরাজিত ১২ রানের ইনিংস বেশ কার্যকরী ছিল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১৫৪/৫
আফগানিস্তান ২০ ওভারে ১৪৬/১০
বাংলাদেশ ৮ রানে জয়ী
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














