এবার নতুন দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাউদ্দিন । জাতীয় দলের ক্রিকেটার গড়ে তোলার গ্রিন রুম এইচপি ইউনিট। হাই পারফরম্যান্স ইউনিটেই গড়ে তোলা হয় আগামীর সাকিব-তামিম। আর সেই এইচপির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে, যিনি বর্তমানে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করছেন।
তবে শুধু সালাউদ্দিন নন, দেশের প্রখ্যাত আরেক কোচ সোহেল ইসলামকেও এইচপির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিষয়টা নিশ্চিত বিসিবি জানায়, এইচপির বর্তমান ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্পের জায়গায় বসানো হতে পারে সালাউদ্দিনকে। তার কাজে সহায়তা করবেন সোহেল।
এইচপি ইউনিটে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদেরও দেখভাল করা হবে। সেক্ষেত্রে ছায়া দল বাংলাদেশ টাইগার্সের কার্যক্রম আলাদাভাবে না-ও থাকতে পারে। আর বাংলাদেশ এইচপি ইউনিট নিয়ে ইতোমধ্যে সালাউদ্দিনের সাথে আলোচনা হয়েছে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের।
সালাউদ্দিন বর্তমানে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ থাকলেও জাতীয় দলে ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে কাজ করার জন্য আলাদাভাবে মোহাম্মদ আশরাফুলও রয়েছেন। সোহেল ইসলাম ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে কাজ করার পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটেও কাজ করে থাকেন। ক্রিকেটারদের আস্থার জায়গায় অবশ্য দুই কোচই অনন্য।
সমর্থকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের শেষদিকে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ করা হয় সালাউদ্দিনকে। যদিও প্রত্যাশা অনুযায়ী সালাউদ্দিনের সাফল্য কম। ক্রিকেট অঙ্গনে অবশ্য একটি কথা প্রায়ই বলা হয়- সালাউদ্দিনরা মূলত খেলোয়াড় গড়ে তোলার কারিগর। এরই ধারাবাহিকতায় এবার এইচপি ইউনিটের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন এই অভিজ্ঞ কোচ।
আশরাফুলকে সাথে নিয়ে টাইগারদের কোচিংয়ে নতুন সমীকরণ
এক বছর দায়িত্ব পালনের পর অবশ্য গত নভেম্বরে জাতীয় দলের কোচিং প্যানেল থেকে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন সালাউদ্দিন। তার আগে ব্যাটিং কোচ হিসেবে জাতীয় দলে নিয়োগ দেওয়া হয় সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে। তবে বোর্ডের প্রস্তাব গ্রহণ করে সালাউদ্দিন এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য’ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাংলাদেশের একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচ। তিনি জাতীয় দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিসিবি হাই পারফরম্যান্স ইউনিটে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ‘এ’ দল এবং বয়সভিত্তিক দলের সাথেও কাজ করেছেন, যেখানে তরুণ ক্রিকেটারদের দক্ষতা উন্নয়নে অবদান রাখেন।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগের বিভিন্ন ক্লাব দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বিপিএলসহ ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও তিনি কোচিং স্টাফ হিসেবে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে ব্যাটিং কোচ হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তোলা এবং তাদের টেকনিক উন্নত করাই তার কোচিং ক্যারিয়ারের প্রধান পরিচিতি।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















