আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ

আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ

এশিয়া কাপের দুঃস্মৃতি ভুলতে আফগানদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। অনেকটা ঘোষণা দিয়েই তিন বিভাগে পরিপূর্ণ পারফরম‍্যান্স করে আফগানদের টি-টোয়েন্টিতে বাংলাওয়াশ করল টাইগাররা। শারজায় তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতেছে টিম বাংলাদেশ।

এর আগে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টানা তিনটি সিরিজ জয়। টানা দুই ম্যাচ জিতে শেষ ম্যাচেও আফগানদের বিপক্ষে ফুরফুরে মেজাজে মাঠে নেমেছিল জাকের আলীর দল। উড়তে থাকা বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১৪৩ রানের পুঁজি পায় আফগানরা।

জবাবে সাইফ হাসানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ২ ওভার ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় টাইগাররা। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি আফগানিস্তান। ৪০ রানের আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। এরপর ছোট একটি জুটিতে ভালোই এগোচ্ছিল আফগানরা।

তবে নাসুম-সাইফউদ্দিনের বোলিং তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে দারবিশ রসুলীর ব্যাট থেকে। এছাড়াও, সিদ্দিকুল্লাহ অটল ২৮ এবং মুজিব উর রহমান করেন ২৩ রান। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে ৩ ওভারে ১৫ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিব নেন ২টি করে উইকেট। এছাড়া শরিফুল ও রিশাদ নেন একটি করে উইকেট।

১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ইমনকে হারায় বাংলাদেশ। ১৬ বলে ১৪ রান করে ওমরজাইর বলে আউট হন তিনি। এরপর সাইফ ও তানজিদ ৫৫ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের পথ সহজ করে দেয়। তানজিদ হাসান ৩৩ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন।

এরপর অধিনায়ক জাকেরকে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন সাইফ। তবে দলীয় ১০৯ রানের মাথায় দুই বলে দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মুজিব উর রহমানের পরপর দুই বলে ফিরে যান জাকের ও শামিম হোসেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বিপদ হয়নি। টি-টোয়েন্টিতে সাইফ হাসানের চতুর্থ ফিফটিতে ১২ বলে হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। সাইফ ৬৪ এবং নুরুল হাসান ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন। আফগানিস্তানের হয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মুজিব উর রহমান।

এ জয়ের ফলে টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিতে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ। এর আগে কখনও টি-টোয়েন্টিতে এমন সাফল্য ছিলনা বাংলাদেশর। ফলে বলতেই হচ্ছে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এখন নতুন ক্রিকেট পরাশক্তি। টাইগারদের এমন সাফল্যর পেছেন ছিল এক ঝাক তরুণ ক্রিকেটার।

সেই তালিকায় আছেন সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোমেন ইমনরা। অন্যদিকে পেস বোলিংয়ে মোস্তাফিজ-শরিফুল-সাইফুদ্দিনের সঙ্গে ছিলেন নাসুম আহমেদ ও রিশাদরা।

Exit mobile version