১৮৩ রানের টার্গেট পেল বাংলাদেশ

১৮৩ রানের টার্গেট পেল বাংলাদেশ

জয়ের জন্য বাংলাদেশের চাই ১৮৩!

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮৩ রানের টার্গেট পেল বাংলাদেশ । সোমবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।

কিউইদের পক্ষে ক্লার্ক ও ক্লিভার দুজনই করেছেন ৫১ রান করে। ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার রিশাদ হোসেন।

রান আউটে কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত

এদিন চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে উইকেটের জন্য বাংলাদেশকে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন কেটিন ক্লার্ক। কভার থেকে সরাসরি থ্রোয়ে তাওহীদ হৃদয় টিম রবিনসনের স্টাম্প ভেঙে দেন। এরপর অবশ্য নিউজিল্যান্ডই দাপট দেখায়। বাংলাদেশের বোলারদের পরের ৮৭ রান পর্যন্ত উইকেটবঞ্চিত রাখে তারা। নিউজিল্যান্ডের এটিই সবচেয়ে বড় জুটি।

বাংলাদেশের হয়ে প্রথম উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। কিউইদের দলীয় ৯৯ রানে তিনি ফেরান ড্যান ক্লিভারকে। ক্লিভার ততক্ষণে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান। বিদায় নেন ২৮ বলে ৫১ রান করে। একটু পর রিশাদের শিকার হওয়া কেটিন ক্লার্ক হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। তার ৫১ রান আসে ৩৭ বলে।

বেভন জ্যাকবস ও ডিন ফক্সক্রফট সিঙ্গেল ডিজিটে আউট হন। প্রথমজনকে তানজিম সাকিব ও পরের জনকে মেহেদী হাসান আউট করেন। উইকেট পান শরিফুল ইসলামও, নিক ক্যালি ২৭ বলে ৩৯ করে তার শিকার হন।

উইকেট বঞ্চিত থাকেন কেবল ‘নতুনভাবে’ জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া রিপন মণ্ডল। ৪ ওভারে ৩৯ রান খরচ করেন তিনি। রিপন এর আগে এশিয়ান গেমসে ৩ ম্যাচ খেলে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। সেগুলোও আন্তর্জাতিক ম্যাচ বলেই স্বীকৃত।

এর আগে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কোন ম্যাচে মুখোমুখি হয়নি এই দু-দল। এই ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ সব গুলো ম্যাচ খেলেছে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

তবে মিরপুরে ৬ ম্যাচ খেলে সমান ৩টিতে জয় ও হারের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। যদিও চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে নিউজিল্যান্ডের। ১২ বছর আগে ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলংকার মুখোমুখি হয়েছিল তারা। ৫৯ রানে ঐ ম্যাচ হেরেছিল কিউইরা।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি রেকর্ড

সব মিলে এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২০ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে ৪টি ম্যাচ জিতেছে টাইগাররা। ১৫ ম্যাচে জয় আছে কিউইদের। ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।  নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র একবার সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতে নেয় টাইগাররা।

এছাড়া ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার সর্বশেষ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। নিউজিল্যান্ড সফরে প্রথম ম্যাচেই ৫ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। তৃতীয় ম্যাচ বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে জিতে সিরিজ হার এড়ায় নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, মাহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, শরিফুল ইসলাম ও রিপন মন্ডল।

নিউজিল্যান্ড একাদশ: টিম রবিনসন, কাটেনে ক্লার্ক, ডেন ক্লিভার (উইকেটরক্ষক), নিক কেলি (অধিনায়ক), বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি, ম্যাথিউ ফিশার ও বেন লিস্টার।

Exit mobile version