ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বড় জয় । সোমবার চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে রেকর্ড গড়ে ৬ উইকেটে জিতেছে স্বাগতিকরা। চট্টগ্রামে এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। জবাবে ২ ওভারে বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
হৃদয়ের সরাসরি থ্রোতে শুরুতেই সাফল্য
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে উইকেটের জন্য বাংলাদেশকে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন কেটিন ক্লার্ক। কভার থেকে সরাসরি থ্রোয়ে তাওহীদ হৃদয় টিম রবিনসনের স্টাম্প ভেঙে দেন। এরপর অবশ্য নিউজিল্যান্ডই দাপট দেখায়। বাংলাদেশের বোলারদের পরের ৮৭ রান পর্যন্ত উইকেটবঞ্চিত রাখে তারা। নিউজিল্যান্ডের এটিই সবচেয়ে বড় জুটি।
বাংলাদেশের হয়ে প্রথম উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। কিউইদের দলীয় ৯৯ রানে তিনি ফেরান ড্যান ক্লিভারকে। ক্লিভার ততক্ষণে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান। বিদায় নেন ২৮ বলে ৫১ রান করে। একটু পর রিশাদের শিকার হওয়া কেটিন ক্লার্ক হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন। তার ৫১ রান আসে ৩৭ বলে।
বেভন জ্যাকবস ও ডিন ফক্সক্রফট সিঙ্গেল ডিজিটে আউট হন। প্রথমজনকে তানজিম সাকিব ও পরের জনকে মেহেদী হাসান আউট করেন। উইকেট পান শরিফুল ইসলামও, নিক ক্যালি ২৭ বলে ৩৯ করে তার শিকার হন।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। দারুণ শুরুর পর দলীয় ৪১ রানের মাথায় ওপেনার সাইফ হাসান ১৭ রান করে বিদায় নেন। এরপর তানজিদের সাথে জুটি গড়ে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলেন অধিনায়ক লিটন দাস।
ইনিংসে ৮.৫ ওভারে দলীয় ৬৬ রানের মাথায় নিজের ভুলে বোল্ড হয়ে ফেরেন লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে ১৫ বলে করেন ২১ রান। তানজিদ হাসান ফিরে যান ২০ রানে। দলীয় ৭৭ রানে তিন উইকেটে হারায় স্বাগতিকরা।
তবে তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমনের জুটিতে দ্রত এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ইমন ১৪ বলে ২৮ রানে ফিরে গেলেও শামীম হোসেনকে সাথে নিয়ে বাকি কাজটা শেষ করেন হৃদয়। ২৬ বলে টি-টোয়েন্টি ৬ষ্ঠ ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত হৃদয় ২৭ বলে দুই চার ও তিন ছক্কায় অপরাজিত ৫১ ও শামীম হোসেন ১৩ বলে তিন চার ও দুটি ছক্কায় ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
- নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ১৮২/৮
- বাংলাদেশ ১৮ ওভারে ১৮৩/৪
- বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















