ডোপ-বিরোধী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে পাকিস্তানের স্পিনিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজকে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। তবে নির্ধারিত মাদকাসক্তি নিরাময় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ এক মাসে নেমে আসবে।
গত এপ্রিলে নাওয়াজের বিরুদ্ধে তদন্ত চলার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। প্রায় তিন মাস পর তদন্তের ফল জানিয়ে আইসিসি জানিয়েছে, গত ৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলম্বোতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের পর নেওয়া ডোপ পরীক্ষায় তার নমুনায় নিষিদ্ধ উপাদান কার্বক্সি-টিএইচসি শনাক্ত হয়।
৩২ বছর বয়সী নাওয়াজ অভিযোগ স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে, নিষিদ্ধ উপাদানটি প্রতিযোগিতার বাইরে এবং ক্রীড়া পারফরম্যান্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়, ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ কারণেই তুলনামূলক কম শাস্তি পেয়েছেন তিনি।
আইসিসি জানিয়েছে, নাওয়াজের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে গত ১ মে থেকে। ওই দিন থেকেই তিনি স্বেচ্ছায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা মেনে মাঠের বাইরে ছিলেন। নিষেধাজ্ঞা গ্রহণ এবং পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অঙ্গীকার করায় আড়াই মাস পর তার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন আইসিসির অনুমোদিত মাদকাসক্তি নিরাময় কর্মসূচি সম্পন্ন করতে পারলে তাকে আর অতিরিক্ত কোনো নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হবে না।
ডোপ-বিরোধী বিধি অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে ১ মে পর্যন্ত সময়ে নাওয়াজের সব প্রতিযোগিতার ফলাফল বাতিল করা হয়েছে। এই সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি আরও ছয়টি ম্যাচ খেলেছিলেন। পরে অংশ নেন ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ ও পাকিস্তান সুপার লিগেও।
ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ার প্রভাব পড়েছে তার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্যারিয়ারেও। ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে কাউন্টি ক্লাব সারের হয়ে খেলার কথা থাকলেও, ঘটনার পর তার সঙ্গে করা চুক্তি বাতিল করে দেয় ক্লাবটি।


