সঙ্গে দেশের ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নে বহুল প্রতীক্ষিত এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে বোর্ড। বুধবার অনুষ্ঠিত বিসিবির বোর্ড সভা শেষে এসব সিদ্ধান্ত জানান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
সভা শেষে বিসিবির প্রধান তামিম বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নেতৃত্ব কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বোর্ড সভায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণ। তামিম বলেন, আগের নকশা বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তাই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান পপুলাসকে নতুন করে নকশা তৈরির অনুরোধ করা হয়েছে। বিসিবির নিজস্ব অর্থায়নে এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণ করা হবে, আর পূর্বাচল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের জন্য সরকারের সহযোগিতা নেওয়া হবে।
তাঁর ভাষ্য, আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর সুবিধা, আধুনিক প্রশিক্ষণ অবকাঠামো এবং বিসিবির প্রশাসনিক কার্যালয় থাকবে। ২০৩১ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এই প্রকল্প বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য একটি বড় মাইলফলক হবে বলে আশা করছে বোর্ড। মেডিকেল বিভাগ নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তামিম।
লিটন দাসের ইনজুরি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিলেক্টর ও মেডিকেল বিভাগের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রিহ্যাব ম্যানেজার হিসেবে মারিও ভিল্লাভারায়ানকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হাসপাতাল নির্বাচন এবং এমআরআই রিপোর্টিং ব্যবস্থাও নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়ায়ও বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কোচ নিয়োগে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই করা হবে এবং কোনো ধরনের তদবির গ্রহণ করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।


