ইংল্যান্ডে বাড়ির নিরাপত্তায় লিসান্দ্রো-অ্যালিস্টার

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড- আর্জেন্টিনা ম্যাচ উত্তেজনা

বিশ্বকাপ যেন শেষ হইয়াও হইলোনা শেষ। কোন না কোন ভাবে বিশ্বকাপের রেশ যেন ফিরে আসছেই এই যেমন আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের কথাই ধরুন, বিশেষ করে লিাসান্দ্রো মার্তিনেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের বিশ্বকাপ রেশ যেন অনেকটাই বিরক্তির কারণ, বিশ্বকাপ শেষ করে তাদের যে ফিরতে হয়েছে ইংল্যান্ডে যে ইংল্যান্ডের সাথে সেমিফাইনালের ম্যাচ নিয়ে তুমুল বাক যুদ্ধ আর সাইবার ফুটবল লড়াই থেকে শুরু করে ফকল্যান্ড লড়াই সব রকম লড়াইটা হয়েছিল ফাইনালে পৌঁছার জন্য‍ তবে সেই যুদ্ধটা দ্বিগুন বাড়িয়ে দিয়েছে সেমিফাইনাল শেষে খেলোয়াড়রা যখন ‘ফকল্যান্ড’ আর্জেন্টিনার, ব্যানার নিয়ে মাঠে দাঁড়িয়েছিলেন সেই একটা বিষয়ই ইংল্যান্ডের পরাজয়ে ঘি ঢেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল, বাস্তবে হয়েছেও তাই। লিসান্দ্রো ও অ্যালিস্টার যেহেতু ক্লাব ফুটবলে ইংল্যান্ডে খেলেন তাই ‘ইংল্যান্ডে বাড়ির নিরাপত্তায় লিসান্দ্রো-অ্যালিস্টার’ বেশী চিন্তিত ছিলেন।

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে তাই আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ইংল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাদের বাড়িতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করেছিলেন।  

আর্জেন্টিনার জয়ের পর ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা এবং ফকল্যান্ডস/মালভিনাস ইস্যুতে বিতর্কিত উদযাপনের পর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তাদের বাড়িতে হামলা বা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

লিসান্দ্রো মার্তিনেজ-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড: ২০২২ সালে ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর দলের গুরুত্বপূর্ণ সেন্টার-ব্যাক হিসেবে খেলছেন। প্রিমিয়ার লিগেই তাঁর ৭৬টি ম্যাচ রয়েছে; ক্লাবটির হয়ে ১১০ ম্যাচে ৩টি গোল করেছেন। কারাবাও কাপ, এফ এ কাপে জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। চোটের কারণে অবশ্য বেশ কিছু ম্যাচ তিনি মিসও করেছেন।

অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার—লিভারপুল: ২০২৩ সালে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর মিডফিল্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন। তিনি দলের মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ, বল পুনরুদ্ধার, পাসিং ও আক্রমণ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ক্লাবের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৫০ ম্যাচ খেলে ১৯টি গোল করে ক্লাবকে এফ এ কাপ ও প্রিমিয়ার লিগ জয়ে মধ্যমাঠে বেশ ভাল ভূমিকা পালন করেছেন।  

ইংল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিজের বাড়িতে থাকতেন এই দুই ফুটবলার। দুজনই ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় তারা সকল নিরাপত্তার সাথে আরো ক্লাব ফুটবলের মাঠে অবদান রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা।

spot_imgspot_img
spot_img

Hot Topics

Related Articles