প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দুইশ রান করার আগেই সব উইকেট হারিয়ে তীব্র সমালোচনা আর কটাক্ষের শিকার হন তাদের ব্যাটাররা। বোলাররাও বিশেষ কোনো সুবিধা করতে পারেননি। জশ হ্যাজলউড যদিও ১৩ মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে ছয় উইকেট নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন। কিন্তু তার এই অর্জন ছাপিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়েও বাজিমাত করেছে। বিদেশের মাটিতে দেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়াকে চেপে ধরতে পেরেছে তারা। কিন্তু দারুণভাবে প্রতিরোধ গড়েছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের একপেশে লড়াই এখন রোমাঞ্চকর কিছুর দিকে এগোচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়ে দিন শেষ করেছে। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে প্রথম ইনিংসের মতো ভরাডুবি দেখেনি। বাংলাদেশ প্রায় দুই সেশনে চার উইকেট নিয়ে কিছুটা চাপ তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ সেশনে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছে স্বাগতিকরা। ৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে তারা লড়াইয়ের মানসিকতা ফিরে পাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি ও নাজমুল হোসেন শান্তর হাফ সেঞ্চুরির পর মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে তারা শক্ত অবস্থানে থেকে ইনিংস শেষ করে। শনিবার তৃতীয় দিনের খেলায় বাংলাদেশ লাঞ্চের পরপর অলআউট হয়। এদিন চার উইকেট হাতে নিয়ে নেমেছিল সফরকারীরা। চারটি উইকেটই নেন জশ হ্যাজলউড। এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার ৬ উইকেট নেন।
অস্ট্রেলিয়া চাপ নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে হাসান মাহমুদের গতির কাছে ৩৭ রানে ২ উইকেট হারায়। জেক ওয়েদারাল্ডন বোল্ড হয়ে ডাক মারেন। আরেক ওপেনার ট্র্যাভিস হেডও বোল্ড হন। এরপর মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন।


