অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ইনিংসে ৭ উইকেট! তাও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। স্বপ্নের মতো এই বোলিং ফিগার নিয়েও অবশ্য উচ্ছ্বাস নেই শরিফুল ইসলামের। দল যে হেরে গেছে ম্যাকাই টেস্ট। এদিকে ম্যাকাই টেস্ট শেষে মিচেল স্টার্কের সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় তাকে। কী নিয়ে কথা হলো, জানালেন খোদ শরিফুলই।
ম্যাকাই টেস্টে শরিফুল ও স্টার্ক পাল্লা দিয়ে ভালো করেছেন। স্বভাবতই দুজনই এখন ক্রিকেট দুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রে। স্টার্কের মাপের কিংবদন্তিকে কাছে পেয়ে শরিফুল কিছু সলাপরামর্শ করে নিতেও ভুলেননি।
টি স্পোর্টসকে তিনি বলেন, ‘ওর কাছে জানতে চাচ্ছিলাম খেলার আগে কীভাবে ও রেডি হয়। সিরিজ আসার আগে। সিরিজের পর কী করে। ট্রেনিং, রানিং কীভাবে করে। এসবই আরকি। যখন খেলা না থাকে কত ওভার বল করে। যেহেতু সেও বাঁহাতি আমিও বাঁহাতি। সবগুলোর খুব ভালো উত্তর দিয়েছে। আমরা যেমন করি প্রায় একই, একটু হয়ত এদিকসেদিক। সেইম রানিংই করে।‘
দল জিততে না পারায় কমে গেছে শরিফুলের ৭ উইকেট পাওয়ার আনন্দ। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৭ উইকেট শিকার করার মর্ম কী, তা অনুধাবন করছেন ভালোভাবেই।
তিনি বলেন, ‘উচ্ছ্বাস তখন হতো যদি ম্যাচটা জিততাম। ম্যাচ জিততে পারিনি তাই খারাপ লাগা কাজ করছে। এটা ভালো লাগছে যে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার বা ৭ উইকেট পেয়েছি। তবে ম্যাচ না জেতার আক্ষেপ আছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো খেলা মানে বিগ ব্যাশে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হওয়া। এর আগে অজিদের ঘাম ঝরিয়ে বিগ ব্যাশে দুই দফা সুযোগ আসে শরিফুলের জাতীয় দলের সতীর্থ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের। টাইগার পেসার অবশ্য ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে নারাজ। জানেন, রিজিকে থাকলে এই বড় লিগও ধরা দেবে তার ক্যারিয়ারে।
তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। কপালে বা রিজিকে যদি থাকে অবশ্যই হবে। না হলে কিছু করার নেই।‘


