পালমেইরাসের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ান কাপের ম্যাচে বড় ধাক্কা খেল সান্তোস। ডান ঊরুতে চোটের শঙ্কায় প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছাড়তে হলো নেইমারকে। ম্যাচ শেষে তাঁকে কাঁদতে কাঁদতে ড্রেসিংরুমের দিকে যেতে দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।
বুধবার ভিলা বেলমিরোয় কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী নেইমার। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। বিরতির আগে কষ্ট করেই মাঠে ছিলেন, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আর ফিরতে পারেননি।

চোটের প্রকৃতি ও গুরুতরতা নিশ্চিত করতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে পরীক্ষা করানো হবে নেইমারের। সান্তোস কোচ কুকা জানিয়েছেন, আপাতত তাঁকে ছাড়াই দলকে সামলাতে হবে।
নেইমারের পাশাপাশি ম্যাচে চোট পেয়েছেন সান্তোসের উইঙ্গার আলভারো বারেয়াল ও ডিফেন্ডার লুকাস ভেরিসিমো। একসঙ্গে তিন খেলোয়াড়ের চোটে হতাশ কুকা। তিনি বলেন, এখন দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়েই পরিস্থিতি সামলাতে হবে এবং আশা করছেন চোটগুলো গুরুতর নয়।
পালমেইরাসের বিপক্ষে এই ম্যাচে নামার আগে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হেরেছিল সান্তোস। ফলে সেমিফাইনালে ওঠার পথ কঠিনই ছিল তাদের জন্য। একই সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান লিগেও কঠিন সময় কাটছে দলটির। অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা সান্তোস বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার ১৪ নম্বরে, অবনমন অঞ্চলের চেয়ে মাত্র চার পয়েন্ট ওপরে।
চলতি মৌসুমে সান্তোসের হয়ে ২৪ ম্যাচে আট গোল করেছেন নেইমার। তাঁর চোট তাই দলটির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
মাঠ ছাড়ার পর ভিলা বেলমিরোর মাঠ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেইমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি মাঠের অসমতল অবস্থা ও গর্তের কথা উল্লেখ করে সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, খেলার এক দিন আগে মাঠের পরিচর্যার কারণে পিচের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল এবং এতে খেলোয়াড়দের চোটের ঝুঁকি বেড়েছে।


