বাংলাদেশ হকিতে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার পাশাপাশি জাতীয় দলের পাইপলাইন শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন, বাহফে। সেই লক্ষ্যেই মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে হাই পারফরম্যান্স অর্থাৎ এইচপি টিমের খেলোয়াড় তৈরির বাছাই কার্যক্রম।
প্রথম দিনের বাছাই শেষে ক্যাম্পে জায়গা করে নিয়েছেন ১৮জন তরুণ খেলোয়াড়। ৬ সেপ্টেম্বর, রোববার দ্বিতীয় ও শেষ দিনের বাছাই থেকে নির্বাচিত করা হবে আরও ১৪জন খেলোয়াড়।

অভিজ্ঞ কোচ আ ন ম মামুনুর রশিদের অধীনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ট্রায়াল। দেশের বিভিন্ন পর্যায় থেকে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও দক্ষতা যাচাই করেই গঠন করা হবে এইচপি ক্যাম্পের দল। বাছাই কার্যক্রম শেষে ৩২ থেকে ৩৪ জন খেলোয়াড়কে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে।
৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া বাছাই ও ক্যাম্পের কার্যক্রম প্রথম ধাপে এক সপ্তাহের পরিচালনা করা হবে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এটি কেবল স্বল্পমেয়াদি কোনো আয়োজন নয়। যুব দল এবং অনূর্ধ্ব-২১ দলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জাতীয় দলের জন্য দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিই এই দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এদিকে দেশের ঘরোয়া হকির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর প্রথম বিভাগ হকি লিগ শুরু হচ্ছে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। লিগ চলাকালে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের ক্লাব পর্যায়ে খেলার সুযোগ করে দিতে এইচপি ক্যাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
প্রথম বিভাগ লিগ শেষ হওয়ার পর আবারও নির্বাচিত খেলোয়াড়দের নিয়ে শুরু হবে নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ। সেখানে ফিটনেস, টেকনিক, ট্যাকটিকস এবং ম্যাচ পারফরম্যান্সের ওপর দেওয়া হবে বিশেষ গুরুত্ব।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক মনে করেন, জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করতে এমন একটি কার্যকর খেলোয়াড় তৈরির পাইপলাইন গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ধারাবাহিক এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই দেশের হকিতে তৈরি হবে নতুন প্রজন্মের দক্ষ ও সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়।


