মাত্র কিছুদিন আগেই নারী এশিয়া কাপ টি-২০ শিরোপা জিতেও শিরোপা নেয়নি ভারত নারী ক্রিকেট দল। ২০২৫ সালে পুরুষ দলও এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেও একই অজুহাতে তাঁর হাত থেকে ট্রফি নেয়নি ভারত ক্রিকেট দল কারণ এসিসির সভাপতি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহসিন নাকভি নিয়ম অনুযায়ী তিনি চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দিবেন কিন্তু ভারত রাজনৈতিক ইস্যুর কারণে নাকভির হাত থেকে ট্রফি না নিয়ে অন্য কারো হাত থেকে নিতে চেয়েছিল নাকভি রাজি না হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। এবার এশিয়ান গেমসে নাকভি থাকলে কি ভারত পদক নিবে? সেটাই এখন এশিয়ান গেমসের বড় প্রশ্ন!
চলমান এশিয়ান গেমসে পুরস্কার বিতরনী মঞ্চে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ভারতের সামনে বিকল্প থাকবে না। কারণ, এশিয়ান গেমস কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ বা আইসিসির টুর্নামেন্ট নয়, এটি অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিএ) আয়োজন। ভারতের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (আইওএ) জানিয়েছে, এশিয়ান গেমসে পদক বিতরণের দায়িত্বে নাকভিকে মনোনীত না করার জন্য ওসিএকে আগাম অনুরোধ জানাতে পারবে না ভারত। নাকভি যদি পদক বিতরণের দায়িত্ব পান, ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পদক গ্রহণ করতে হবে।
২০তম এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের নারী ও পুরুষ দুই ইভেন্টেই অংশ নিচ্ছে ভারত। গত সপ্তাহে এশিয়া কাপ জেতা হারমানপ্রীত কৌরের দল এবং এ বছর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা শ্রেয়াস আইয়ারদের দলকে সোনাজয়ে সবচেয়ে ফেবারিট ধরা হচ্ছে। বাংলাদেশ চীনকে হারিয়ে আর ভারত নারী দল স্বাগতিক জাপানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে, আগামীকাল বাংলাদেশ ভারত সেফিফাইনাল ম্যাচ।
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের মূল কেন্দ্রবিন্দু এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। সে হিসেবে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন এসিসির সভাপতি নাকভি। তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন বলে তাঁর কাছ থেকে পরপর দুটি এশিয়া কাপের ট্রফি নেয়নি ভারত।
গত নারী এশিয়া কাপে ১৩ সেপ্টেম্বর ফাইনালে নাকভি থাকলে ভারত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল। অন্য কাউকে দিয়ে পুরস্কার দিতে বললেও এসিসি প্রধান হিসেবে নাকভি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।




