ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলের সমতা নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করলো বাংলাদেশ

দলকে সমতায় ফিরিয়ে উচ্ছ্বাসে মাতেন ঋতু পর্ণা চাকমা।

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়লেও ১-১ গোলের সমতা নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করলো বাংলাদেশ। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে ভারতকে এগিয়ে দেন ১০ নাম্বার জার্সধারী পিয়ারি জাজা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে অর্থাৎ ইনজুরির কারণে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মাটি কামড়ানো শটে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান ঋতু পর্ণা চাকমা।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের প্রথমার্ধ

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমানতালে লড়াই করতে থাকে। তবে খেলার শুরুতেই গোলরক্ষকের ভুলে গোল খেয়ে বসে বাংলাদেশ। ম্যাচের একটি সাধারণ আক্রমণে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার অপ্রয়োজনীয়ভাবে পোস্ট ছেড়ে সামনে এগিয়ে আসেন। সেই সুযোগে ভারতের ফরোয়ার্ড পিয়ারী সাহা বক্সের বাইরে বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মিলির মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান। মিলি পেছনে দৌড়েও বলের নাগাল পাননি। এর আগে ১৭ মিনিটেও মিলির হাত থেকে বল ফস্কে গিয়ে বড় বিপদের সৃষ্টি হতে পারত, তবে সে যাত্রা রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

গোল খাওয়ার পর ম্যাচে ফিরতে বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে দলকে সমতায় ফেরান সেমিফাইনালের অন্যতম নায়ক ঋতুপর্ণা চাকমা। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বক্সের ভেতর চমৎকার একটি থ্রু পাস পান তিনি। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় গতি দিয়ে ভারতীয় ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে নিখুঁত কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান ঋতুপর্ণা।

সুযোগ হাতছাড়া করার আক্ষেপ

বাংলাদেশ যদি সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারত, তবে প্রথমার্ধেই লিড নিতে পারত। ম্যাচের ১২ মিনিটে তহুরা খাতুন ভারতীয় গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট নিতে দেরি করায় ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করে দেন। ৪১ মিনিটে তহুরা আরও একটি সুযোগ হাতছাড়া করেন। এ ছাড়া ৪৪ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আনিকার নেওয়া একটি দূরপাল্লার দুর্দান্ত শট ভারতীয় গোলরক্ষক রুখে দিলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ।

Exit mobile version