ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ এক সেঞ্চুরি পেয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শুক্রবার মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরির দেখা পান এই টপঅর্ডার ব্যাটার। এ নিয়ে টানা দুই টেস্টে সেঞ্চুরি করলেন তিনি।
শুক্রবার ক্যারিয়ারের ৪০তম টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে ১২৯ বলে ১২টি বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংস বড় করতে পারেনি। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পরেন তিনি। বিদায় নেওয়ার আগে ১৩০ বলে ১০১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। শান্ত বিদায় নিলেও আর এক অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক হাফসেঞ্চুরি করে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। তার সাথে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের রান তখন ৫৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান। মুমিনুল ৬৪ ও মুশফিক শূন্য রানে ক্রিজে আছেন।
এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের সপ্তম ওভারে দলীয় ১৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৮ রান করে শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়। ওপেনার সাদমান ইসলাম ইনিংসের ১১তম ওভারে দলীয় ৩১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৩ রানে হাসান আলী বলে সালমান আলী আঘার হাতে ক্যাচ দেন। এরপর দলকে এগিয়ে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। এ জুটিতে ২৫৭ বলে ১৭০ রান তোলেন তারা।
বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজটি পাকিস্তানের ওপর আধিপত্য ধরে রাখার মিশন। একটা সময়ে পাকিস্তানের কাছে অসহায় আত্মসমর্পন করলেও সর্বশেষ সিরিজে পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করেছিল টাইগাররা। ২০২৪ সালের অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সিরিজে দুই ম্যাচের দুটোতেই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার নিজেদের মাটিতে সিরিজে। ফলে বাংলাদেশের সামনে দারুণ একটা সুযোগ রয়েছে সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার
বাংলাদেশ একাদশঃ নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও ইবাদত হোসেন।
পাকিস্তান একাদশঃ আজান আওয়াইস, ইমাম-উল-হক, আব্দুল্লাহ ফজল, শান মাসুদ (অধিনায়ক), সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, শাহিন আফ্রিদি, নোমান আলী, হাসান আলী ও মুহাম্মদ আব্বাস।
