হারারেতে ব্যাটিং ধস – প্রথম দিনের শেষে চাপে বাংলাদেশ । জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনটা একেবারেই বাংলাদেশের হয়নি। হারারেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র দুই সেশনেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে ৪৭.২ ওভারে ১৪০ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। এরপর দিন শেষেই স্বাগতিকরা চলে যায় প্রায় সমান অবস্থানে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ওপেনিং ব্যর্থতা আবারও দেখা যায়, মাত্র ২ রান করে ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয়। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, ২০ রান করে আউট হন তিনি।
৩৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। তৃতীয় উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে কিছুটা আশা দেখান দুজন। ১২ চারে ৬০ রান করে ফেরেন তিনি। শান্ত করেন ১৯ রান।
এরপরই শুরু হয় বড় ধস। মাত্র ২১ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ফেরেন ৯ রান করে। দুই অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয় ও অমিত হাসানও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি, করেন যথাক্রমে ৩ ও ৪ রান। শেষ তিন ব্যাটারের কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি।
জিম্বাবুয়ের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন নিউম্যান নিয়ামুরি। ৬১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া রিচার্ড এনগারাভা, ব্র্যাড ইভান্স ও ব্লেসিং মুজারাবানি নেন দুটি করে উইকেট।
ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৯ রান। ৪২ রান করে খালেদ আহমেদের বলে আউট হন কারান।
এরপর ব্র্যান্ডন টেইলরকে নিয়ে দিনের বাকি সময় নির্বিঘ্নে পার করেন কাইয়া। প্রথম দিন শেষে ৩৪ ওভারে ১ উইকেটে ১৩৬ রান করেছে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে মাত্র ৪ রান পিছিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে স্বাগতিকরা। ইনোসেন্ট কাইয়া ৭৬ ও ব্র্যান্ডন টেইলর ১৭ রানে অপরাজিত আছেন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে তাই একেবারেই চাপে পড়েছে বাংলাদেশ।
