জয়ের ধারায় ফিরেছে বুন্দেসলিগার শীর্ষ দল বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবার নিজেদের মাঠের খেলায় তারা এফসি ইউনিয়ন বার্লিনকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে। এ জয়ের ফলে বায়ার্ন মিউনিখের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে। ১৪ বছরের মধ্যে ১৩তম শিরোপা জয়ের হাতছানি তাদের সামনে।
আগের ম্যাচে বেয়ার লেভারকুসেনের সঙ্গে ড্র করেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এতে অবশ্য তেমন কোনো সমস্যা হয়নি বায়ার্নের। কেননা অন্য দলগুলোর সম্পর্কে স্বস্তিদায়ক পার্থক্য রেখে এগিয়ে চলেছে শিরোপা প্রত্যাশী দলটি। ২৭ ম্যাচ শেষে বায়ার্নের পয়েন্ট ৭০। আর নিকটবর্তী দল বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬১। তারাও ২৭ ম্যাচ খেলেছে। সমান ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে ইউনিয়ন বার্লিন দশম স্থানে।
আগের ম্যাচে ড্র করার ধাক্কাটা সামলে উঠতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখকে। ইউনিয়ন বার্লিন বেশ কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাদের প্রতিরোধ টেকেনি। ৪৩ মিনিট পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখকে রুখে দিলেও এক পর্যায়ে তারা হাল ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যে চার গোল হজম করে।

নয়্যার ফেরেননি
ম্যাচে বায়ার্নের চার গোল করেন মাইকেল ওলিসে, সার্জ ন্যাবরি ও হ্যারি কেন। ন্যাবরি জোড়া গোল করেন। এ ম্যাচে বায়ার্নের গোলপোস্টের নিচে দাঁড়াতে হয়েছে জোনাস উরবিগকে। নিয়মিত গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ইনজুরি মুক্ত না হওয়ায় তিনি মাঠে নামতে পারছেন না। এছাড়া আলেক্সান্ডার পাভলোভিচও ইনজুরি সমস্যায় থাকায় জোনাস উরবিগকে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
ছয় মিনিটে বায়ার্নের তিন গোল
নিজেদের মাঠের এ খেলায় বায়ার্ন মিউনিখ শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। ইউনিয়ন বার্লিনের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা বারবার তাদের আক্রমণগুলো রুখে দিয়ে অস্বস্তি তৈরি করছিল। অবশেষ বিরতির ঠিক আগেই ভেঙ্গে পড়ে বার্লিনের রক্ষণপ্রাচীর। মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে তিন গোল হজম করে।
মাইকেল ওলিসে ৪৩ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায়। এই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতে বার্লিনকে দ্বিতীয় গোল হজমের ধাক্কা সামলাতে হয়। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে ন্যাবরি গোল করেন। ন্যাবরি ৬৭ মিনিট আবার গোল করেন। তার আগে স্কোরশিটে নাম লেখান হ্যারি কেন। বিরতির পর চতুর্থ মিনিটে গোলটি করেন তিনি। চলতি মৌসুমে হ্যারি কেনের এটি ৩১তম গোল। ইউনিয়ন বার্লিন পুরো মৌসুমে এই সংখ্যক গোল করেছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















