১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন বেন স্টোকস

১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন বেন স্টোকস

১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন বেন স্টোকস । ইংল্যান্ড ক্রিকেটে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে অন্যতম বড় নাম বেন স্টোকস। এবার সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি টানার ঘোষণা দিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নটিংহ্যামে চলমান টেস্টের মাঝেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। এই টেস্টই হতে যাচ্ছে তার ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

নটিংহ্যামে চলা এই টেস্টে বর্তমানে চালকের আসনে রয়েছে কিউরা। চতুর্থ দিনে চা বিরতিতে যাওয়ার আগে সফরকারীরা ৩১৮ রানের লিড নিয়েছে।

সম্প্রতি লন্ডনের একটি নাইটক্লাবে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারেননি স্টোকস। তবে নটিংহ্যামে তৃতীয় টেস্টে ফের দলের নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।

ম্যাচ চলাকালীন ইংল্যান্ড দলের ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের উদ্দেশে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্টোকস। সেখানে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত পরে জানাবেন বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

দলের স্বার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগের ডাক স্টোকসের

স্টোকস বলেন, কেন বা কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত, সেসব কথা পরে বলা যাবে। তবে এই দলের জন্য, আপনাদের জন্য এবং অতীতে যারা ছিলেন তাদের জন্য আমি আগেও অনেকবার নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি এবং আরও একবার আমাকে তা করতে হবে। আমি শুধু একটা অনুরোধই করব, সবাই কি একই কাজ করতে পারবেন?

বেন স্টোকসের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি আসে ২০১৯ সালে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে তার অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস ইংল্যান্ডকে এনে দেয় ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ শিরোপা। সেই ম্যাচকে আজও অনেকেই ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ম্যাচগুলোর একটি বলে মনে করেন।

এর মাত্র ছয় সপ্তাহ পর আবারও ইতিহাস গড়েন তিনি। হেডিংলিতে অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অপরাজিত ১৩৫ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে প্রায় একাই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেন।

সেই অসাধারণ বছরের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯ সালে জেতেন বিবিসি স্পোর্টস পার্সোনালিটি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার।

সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত ১২২টি টেস্ট খেলেছেন স্টোকস, যার মধ্যে ৪৪টিতে ছিলেন অধিনায়ক। এছাড়া খেলেছেন ১১৪টি ওয়ানডে ও ৪৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পথেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই ইংলিশ অলরাউন্ডারের।

Exit mobile version