দুর্নীতিবিরোধী আইন ভেঙে ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার অখিলেশ রেড্ডি

দুর্নীতিবিরোধী আইন ভঙ্গের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের অফস্পিনার অখিলেশ রেড্ডিকে আট বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ২০২৫ সালের আবুধাবি টি-টেন লিগে তিনটি ধারায় আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

২০২৫-২৬ মৌসুমের আবুধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টে অ্যাসপিন স্ট্যালিয়নসের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন রেড্ডি। সেই আসরকে ঘিরেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো আনা হয়।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার ২.১.১ ধারায় ম্যাচের ফল, গতিপ্রকৃতি বা অন্য কোনো দিক অবৈধভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা বা এ ধরনের চুক্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২.১.৪ ধারায় অন্য কোনো অংশগ্রহণকারীকে একই ধরনের অপরাধে প্ররোচিত, উৎসাহিত বা সহায়তার চেষ্টা এবং ২.৪.৭ ধারায় তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল।

তদন্তের সময় নিজের মোবাইল ফোন থেকে তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, এমন তথ্য ও বার্তা মুছে ফেলার অভিযোগও ছিল রেড্ডির বিরুদ্ধে।

গত বছরের নভেম্বরে তাঁকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এবার আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ট্রাইব্যুনাল তিনটি অভিযোগেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। ফলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে তাঁর ওপর আট বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর থেকে, যেদিন থেকে তাঁর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছিল। অর্থাৎ ওই তারিখ থেকেই আট বছরের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ গণনা হবে।

আবুধাবি টি-টেন লিগের দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আইসিসিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই আইসিসির ট্রাইব্যুনাল রেড্ডির বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৫ সালের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ইসিবি অখিলেশ রেড্ডির। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এখন পর্যন্ত চারটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তবে দুর্নীতিবিরোধী আইনের এই গুরুতর অভিযোগে দীর্ঘ আট বছরের নিষেধাজ্ঞার ফলে তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার কার্যত বড় ধাক্কার মুখে পড়ল।

spot_imgspot_img
spot_img

Hot Topics

Related Articles