মিরপুর টেস্টে শান্তকে পেতে আশাবাদী বিসিবি

মিরপুর টেস্টে শান্তকে পেতে আশাবাদী বিসিবি

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলবে টাইগাররা। কিউইদের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে শান্তকে পাওয়ার আশা বিসিবির। অর্থাত মে মাসের শুরুতে মাঠে গড়াচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। টেস্টে নাজমুল হোসেন শান্তই বাংলাদেশের অধিনায়ক। চোট থেকে সেরে উঠে কি ৮ মে ঢাকা টেস্টে মাঠে নামতে পারবেন শান্ত? আপাতত ইতিবাচক খবরই পাওয়া যাচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে দারুণ এক সেঞ্চুরি পান নাজমুল হোসেন শান্ত। পরে আবার ক্র্যাম্পড হতে হয় তাকে। যদিও পরে দ্রুত সেরে ওঠার কথাই বলেছিলেন শান্ত।

টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে যারা টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে নেই তারা বর্তমানে মিরপুরে কোচ সোহেল ইসলামের অধীনে অনুশীলন করছেন। সেখানে এসে ঘুরে গেছেন টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ঢাকা টেস্টে শান্তকে পেতে আশাবাদী ক্রিকেট বোর্ড।

বিসিবির চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, ‘এটা (চোট) আমার কাছে তেমন খারাপ মনে হয়নি। সে (শান্ত) ২৮ এপ্রিল আসবে এবং তাকে আমরা দেখব। আমি যতটুকু শুনেছে এবং যেটুকু তথ্য পেয়েছি চোটটাকে আমার অত খারাপ মনে হয়নি। এখন তার (শান্তর) কোনো ব্যথা নেই, হাঁটলেও কোনো ব্যথা হচ্ছে না। তবুও শারীরিকভাবে তার পরীক্ষা করে দেখা হবে।’

৮ মে ঢাকা টেস্ট দিয়ে শুরু হবে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত এই সিরিজ।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত দেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। এখন পর্যন্ত তিনি ৩০টির বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এবং দলের ব্যাটিং লাইনআপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পারফরম্যান্সে উন্নতি দেখা গেছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতে তিনি ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন।

টেস্ট ক্রিকেটের কঠিন ফরম্যাটে তার ধৈর্য, টেকনিক এবং মানসিক দৃঢ়তা তাকে আলাদা করেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের টেস্ট দলে তিনি আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে এবং তিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলছেন।

টেস্টে মোট রান করেছেন প্রায় ২০০০-এর কাছাকাছি। তার ব্যাটিং গড় ধীরে ধীরে উন্নতি করেছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। তিনি কয়েকটি সেঞ্চুরি ও হাফ-সেঞ্চুরিও করেছেন, যা দলের জন্য বড় অবদান রেখেছে। টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ ফরম্যাটে তার ধৈর্য ও টেকনিক তাকে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে গড়ে তুলছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ইনিংস খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

Exit mobile version