দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের উন্নয়নে ঘরোয়া প্রতিযোগিতার মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের ফুটবলের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
দুই দিনের সফরে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে ছিলেন ফিফা সভাপতি। যাওয়া-আসার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেন তিনি। বাংলাদেশে ফেরার পথে আজ ঢাকায় প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থান করেন ইনফান্তিনো। এ সময় তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) দুই সহসভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ ও ফাহাদ করিম।
জাপানের টোকিওতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) বিশেষ কংগ্রেসে যোগ দিতে যাচ্ছেন ইনফান্তিনো। বাফুফে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও এরই মধ্যে টোকিও পৌঁছেছেন।
ফিফা সভাপতির সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম জানান, ভুটানের আতিথেয়তা ছাড়াও বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল নিয়ে কথা হয়েছে। এ অঞ্চলের ঘরোয়া ফুটবলের মান উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন ইনফান্তিনো এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফাহাদ করিম আরও জানান, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ ক্লাবগুলোকে নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয়ে ভুটান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করেছেন ফিফা সভাপতি। টোকিওতে এ বিষয়ে অন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।
ভুটান সফরে ফুটবলের উন্নয়নে বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন ইনফান্তিনো। বাংলাদেশে ফিফার অর্থায়ন প্রসঙ্গে ফাহাদ করিম বলেন, বাফুফের টেকনিক্যাল সেন্টারে ফিফার একটি বড় প্রকল্প রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হলে তা দেওয়ার আশ্বাস আগেই পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া আগামী মার্চে ফিফা কংগ্রেসে সদস্য দেশগুলোর জন্য অনুদানের পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব উত্থাপিত হতে পারে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশও উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা পেতে পারে বলে আশা করছে বাফুফে।




