জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে দ্বিতীয় দিনে চার রেকর্ড । বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম ও ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে আরও চারটি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন অ্যাথলেটরা। দুই দিনে মোট নতুন রেকর্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়টিতে। এর মধ্যে মহিলাদের লংজাম্পে ভেঙে গেছে দীর্ঘদিনের পুরোনো জাতীয় রেকর্ড।
দুই দিনে ২৮টি ইভেন্ট শেষ হওয়ার পর পদক তালিকার শীর্ষে আছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তাদের সংগ্রহে রয়েছে ১৫টি স্বর্ণপদক। আজ বিকালে প্রতিযোগিতার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। তিনি অ্যাথলেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং ফেডারেশনের দেওয়া পুরস্কারের সমপরিমাণ অর্থ নিজের পক্ষ থেকেও ব্যক্তিগতভাবে দেন।
দ্বিতীয় দিনে গড়া চারটি নতুন জাতীয় রেকর্ডের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল মহিলাদের লংজাম্প। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সপ্না খাতুন ৬.২৫ মিটার লাফিয়ে নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়েন। তিনি ইসলামাবাদে ২০০৪ সালে ফৌজিয়া হুদা জুঁইয়ের করা ৬.০৬ মিটারের রেকর্ড ভেঙে দেন।
পুরুষ ডিসকাস থ্রোতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফারুক আহমেদ ৪৭.৫৯ মিটার দূরত্বে থ্রো করে নতুন রেকর্ড করেন। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আব্দুল আলিমের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান। একই দিনে মহিলাদের ডিসকাস থ্রোতেও নতুন রেকর্ড আসে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাফরিন আক্তার ৪৬.০৬ মিটার ছুড়ে নিজেরই আগের সেরা কীর্তি ভেঙে দেন।
আরেকটি নতুন রেকর্ড গড়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্ষা খাতুন। তিনি মহিলাদের ৪০০ মিটার হার্ডেলসে ১ মিনিট ৩.১৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজের আগের রেকর্ড উন্নত করেন।
এছাড়া ১১০ মিটার হার্ডেলসে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এক অ্যাথলেট ১৪.৬৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ জেতেন। ১০০ মিটার হার্ডেলসে বিকেএসপির মোছাঃ তাসমিয়া হোসেন ১৪.৮৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হন। পুরুষদের ৪০০ মিটার হার্ডেলসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নাজিমুল হোসেন রনি ৫১.৯০ সেকেন্ডে স্বর্ণ জেতেন।
এখন পর্যন্ত ১৫টি স্বর্ণ, ১২টি রৌপ্য ও ৭টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৩৪টি পদক নিয়ে শীর্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ১১টি স্বর্ণ, ১৩টি রৌপ্য ও ১৬টি ব্রোঞ্জসহ ৪০টি পদক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আর ২টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৬টি পদক নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে বিকেএসপি।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















