এখনও কোচ চূড়ান্ত হয়নি হামজাদের কাবরেরা বিদায় নেওয়ার পর। কোচ নিয়োগোর জন্য দীর্ঘ তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ছয় জনকে চূড়ান্ত বিবেচনায় রেখেছে কোচ নিয়োগ কমিটি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ১৫ মে পর্যন্ত এ প্রক্রিয়ার জন্য সময় রেখেছে হাতে।
বারবার মিটিং করেও কোচ চূড়ান্ত হয়নি হামজাদের । কে হচ্ছেন বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দলের কোচ, এ নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। রবিবারও জাতীয় দল কমিটির সভা হলেও সেখানে কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি। তাই ফুটবলপ্রেমীদের হামজা চৌধুরীদের পরবর্তী কোচের নাম জানার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।
কোচ চূড়ান্ত হয়নি হামজাদের
জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল স্বয়ং। তিনি সভা শেষে ফর্টিস ডাউনটাউনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,
আমরা কোচ নিয়োগ নিয়ে কাজ করছি। ১৫ মে পর্যন্ত অপেক্ষার কথা বলছি। এবার যাকেই কোচ করা হবে তার সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি হতে পারে প্রাথমিকভাবে।
২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রাজিলকে স্বর্ণ জেতানো কোচ রোজারিও মিকেল। তিনি ব্রাজিলের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন এমন তথ্য জানা গেছে। মিকেলকে নিয়ে প্রশ্ন হলে বাফুফে সভাপতি বলেন,
আমরা ব্যক্তিগত কোনো কিছু নিয়ে তথ্য দিচ্ছি না। আমাদের সাথে অনেকের আলোচনা চলছে। আমরা যেমন উন্মুক্ত রয়েছি, তারাও উন্মুক্ত আছেন।
জাতীয় দল কমিটির এদিনের সভায় মূলত গত কয়েক দিন সাক্ষাৎকার নেওয়া কোচদের পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেই পর্যালোচনায় ছয় জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা হয়েছে। এই ছয় জনের সঙ্গে আজ থেকে বেতন, আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চলবে দর কষাকষি। কোন কোচকে কত ডলার দিয়ে দর দাম শুরু ও শেষ সেটারও আলোচনা হয়েছে সভায়। দুই পক্ষের দর কষাকষির পর আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে জাতীয় দল কমিটি আরেকটি সভা করবে। সেই সভায় নাম চূড়ান্ত করে নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন হতে পারে।
শেষ মুহূর্তে যারা আছেন আলোচনায়
জাতীয় দল কমিটির সভায় চেয়ারম্যান তাবিথ আউয়াল কোনো এক কোচকে প্রাধান্য বা এক নম্বর বিবেচনা করা যেতে পারে- এমন প্রস্তাব দেন। তখন ওয়েলসের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যানের কথা বলেন। তিনি বাংলাদেশের ফুটবলে আসলে উন্নতি হবে এবং বিশ্ব ফুটবলেও বাংলাদেশ আলোচনায় থাকবে এমন যুক্তি দেন।
কমিটির অন্য সদস্যরাও একমত হয়ে কোলম্যানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার বিবেচনা জানান। তবে কোলম্যানের পাশাপাশি জার্মান কোচ মাইকেল লিস এবং আরও চার কোচকেও এই প্রক্রিয়ায় রাখছে ফেডারেশন। যে কোচের সঙ্গে সব কিছু ইতিবাচক হিসেবে মিলবে, তিনিই হবেন হামজাদের পরবর্তী কোচ।
বাফুফে হ্যাভিয়ের কাবরেরাকে ১৩ হাজার ইউরো প্রদান করত। বাফুফের পক্ষে হেড কোচের জন্য ২০ হাজার ডলারের বেশি প্রদান করা কঠিন। বাজেট নিয়ে আজ প্রশ্ন হলে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন,
অবশ্যই বাজেট একটা ফ্যাক্ট এবং বাফুফের একটি বাজেট রয়েছে। বাফুফের বাজেটের চেয়ে বেশি হলে সেটা সরকার, স্পন্সর ও ডোনার অর্গানাইজেশনের সঙ্গে আলাপ করে সংস্থানের চেষ্টা করা হবে।
