আর্লিং হালান্ডের প্রথমার্ধের হেডে কভেন্ট্রিকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে জয়ের চেয়েও ম্যাচটির বড় আকর্ষণ ছিল চেলসি থেকে সদ্য যোগ দেওয়া এনজো ফার্নান্দেজের আগাম অভিষেক। নির্ধারিত পরিকল্পনার আগেই মাঠে নেমে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার নিজের সামর্থ্যের ছাপ রেখেছেন।
ফার্নান্দেজকে শুরুতে রাখা হয়েছিল বেঞ্চে। কিন্তু ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ার্ম-আপে নিকো ও’রেইলি চোট পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে একাদশে ঢুকে যান ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের এই নতুন সংযোজন। অভিষেকেই প্রাণবন্ত পারফরম্যান্সে মাঝমাঠে রায়ান শেরকির সঙ্গে দ্রুত বোঝাপড়া গড়ে তোলেন তিনি।
১৬ মিনিটে প্রথম সুযোগ
ম্যাচের ১৬ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় সিটি। শেরকির পাস থেকে হালান্ডের শট ঠেকিয়ে দেন কোভেন্ট্রি গোলরক্ষক কার্ল রাশওয়ার্থ। কিছুক্ষণ পর আরও বড় সুযোগ আসে। মাঝমাঠ থেকে ফার্নান্দেজ আক্রমণ তৈরি করে হালান্ডকে না দিয়ে বল দেন শেরকিকে। ফরাসি ফরোয়ার্ডের নিচু শট ডান পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
এর দুই মিনিট পরই অবশ্য গোল পেয়ে যায় সিটি। ফার্নান্দেজের পাস থেকে অঁতোয়ান সেমেনিও বাইলাইন থেকে দারুণ ক্রস করেন। গোলরক্ষক রাশওয়ার্থের মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া বলের সামনে উঠে অরেলে আমেন্দাকে পেছনে ফেলে হেড করেন হালান্ড। ২৬ মিনিটের সেই গোলেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। চলতি মৌসুমে এটি নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের তৃতীয় গোল।

আধিপত্য সত্ত্বেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি
দ্বিতীয়ার্ধে সিটি বল দখলে আধিপত্য ধরে রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। প্রায় এক ঘণ্টা পর হালান্ডের বল জালে জড়ালেও গোলটি বাতিল হয়। ফার্নান্দেজ অফসাইডে ছিলেন।
ম্যাচের শেষ দিকে অবশ্য চাপের মুখে পড়ে সিটি। পুরো ম্যাচে মাত্র ২২ শতাংশ বল দখলে রাখা কোভেন্ট্রি শেষ দিকে আক্রমণের ধার বাড়ায়। বদলি লুম তশুয়ানা ও এলিস সিমস গোলের সুযোগ তৈরি করেন। ৭০ মিনিটে তশুয়ানার নিচু শট দারুণভাবে ঠেকান সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুমা। শেষ দিকে সিমসের একেবারে কাছ থেকে নেওয়া শটও মুখ দিয়ে ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি।
শেষ সময়ে বিপদে সিটি
ম্যাচের শুরুতেও অবশ্য সিটি বিপদে পড়েছিল। আবদুকোদির খুসানভের ব্যাকপাস নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভুল করেন দোনারুমা। পরে বল লাইন থেকে ক্লিয়ার করে পরিস্থিতি সামাল দেন। আরেক দফায় তাইও আওনিইয়ি সেমেনিওর ভুল পাস কেটে গোলের দিকে ছুটলেও তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।


