নিজেদের নতুন স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের মুখ দেখেছে ইন্টার মায়ামি। নুতন স্টেডিয়ামে নুতে বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোরে অনুষ্ঠিত মেজর সকার লিগ ম্যাচে তারা পোর্টল্যান্ড টিম্বারকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। একটা গোল করেছেন লিওনেল মেসি। অন্য গোল করেছেন জার্মান বার্টেরামে। তার এ গোলের রূপকার ছিলেন মেসি। উভয় গোলই হয় প্রথমার্ধে।
পঞ্চম ম্যাচে প্রথম জয়
ইন্টার মায়ামির নুতন স্টেডিয়াম নুতে এটা ছিল মেসিদের পঞ্চম ম্যাচ। আগের চার ম্যাচের একটাতেও তারা জয় পায়নি। চার ম্যাচের তিনটিতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। সর্বশেষ ম্যাচে তো হেরেই বসে। অবশেষে পঞ্চম ম্যাচে এসে তারা জয়ের মুখ দেখেছে।
শীর্ষে মায়ামি
এ জয়ের ফলে ১৪ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২৮। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে দলটি, তবে তা স্বল্প সময়ের জন্য। ১২ ম্যাচ থেকে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে এ মুহুর্তে দ্বিতীয় স্থানে নাশভিলে। ১৩তম ম্যাচে এলএএফসি’র বিপক্ষে জয় পেলেই তারা আবার ইন্টার মায়ামিকে টপকে যাবে।
জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে থাকা ইন্টার মায়ামি পোর্টল্যান্ড টিম্বারের বিপক্ষে শুরু থেকেই আধিপক্য বিস্তার করে খেলেছে। একের পর এক আক্রমণের ফলে তাদের জয়টা প্রাপ্য হয়ে পড়েছিল। ৩১ মিনিটে লুইস সুয়ারেজ, তেলাস্কো সেগোভিয়া ও মেসি মিলে যে আক্রমণটা গড়ে তুলেছিলেন তার একমাত্র পরিণাম ছিল গোল। শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে। সুয়ারেজ ও সেগোভিয়ার গড়ে তোলা আক্রমণকে সহজেই গোলে রূপ দেন মেসি।
৩১ মিনিটে মেসির করার প্রথম গোলের পর দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ ইন্টার মায়ামিকে অপেক্ষায় থাকতে হয়নি। এবার মেসির রূপকার। প্রতিপক্ষের তিন ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে যে ভাবে বল বের করে তিনি বার্তেরামাকে দিয়েছিলেন তা থেকে গোল করতে মোটেও কষ্ট করতে হয়নি তাকে।
পোর্টল্যান্ড ছিল অসহায়
মেসিদের চমৎকার আক্রমণের বিপক্ষে পোর্টল্যান্ড টিম্বার খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। ক্রিস ভেলদে বেশ কিছু চমৎকার মুহুর্ত উপহার দিয়েছিলেন সত্যি, পাশাপাশি কেভিন কেলসে মায়ামির বক্সের কাছে বেশ উজ্জ্বল ছিলেন কিন্তু মায়ামির রক্ষণভাগ তা ভালোভাবেই সামাল দিয়েছে।
বিরতির পর পোর্টল্যান্ড টিম্বার কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়েছল তবে মায়ামির রক্ষণভাগের জন্য তা হুমকি হতে পারেনি। শেষ সময়ে মেসি আরও একটা গোল পেতে পারতেন। চমৎকার এক ফ্রি কিক নিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে পোর্টল্যান্ডের গোলরক্ষক তা দৃঢ়তার সঙ্গে রুখে দিয়ে মায়ামি সমর্থকদের হতাশ করেন।
