লিটেনর সেঞ্চুরিতে সিলেট টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। শেষ বিকেলে পাকিস্তান নিজেদের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১৪ রান তুলেছে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এদিন অল্প সময়ের জন্য মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজকে পেলেও লিটনের সেঞ্চুরিতে সঙ্গ দিয়েছেন মূলত টেলএন্ডাররা। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ ও তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটির পর সেঞ্চুরি তুলে নেন অন্যপ্রান্তে শরিফুল ইসলামকে সাক্ষী রেখে।
১৩৫ বলের মাথায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করার ডেলিভারিতে লিটন খুররম শাহজাদকে চার মারেন। টেস্টে এটা লিটনের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি, পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয়। তার দুই বছর আগে করা পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটিও প্রায় এমন বিপর্যয়ের মুখে। রাওয়ালপিন্ডিতে সেদিন ২৬ রানে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। এরপর ১৩৮ রানের ইনিংসে লিটন টাইগারদের লড়াইয়ে রেখেছিলেন। সেই ম্যাচ বাংলাদেশ জিতে ৬ উইকেটে।
সিলেটে ২ রান করার পর টেএলএন্ডারদের নিয়ে লিটন কি সেঞ্চুরি করার কথা ভেবেছিলেন? সেঞ্চুরি হতে পারে, এমন কল্পনা কি অন্য কারোর ছিল? তার হাফসেঞ্চুরির আগেই বাংলাদেশ আরেকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে। সাজিদ খানকে উইকেট দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তাইজুল ইসলাম।
টেলএন্ডার তাসকিনকে আগলে রেখে খেলা লিটন ৯৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অর্থাৎ সেখান থেকেও সেঞ্চুরি লিটনের বহুদূরে ছিল। এরমধ্যে তাসকিন শাহজাদকে সজোরে হাঁকাতে গিয়ে সালমান আগাকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তখন লিটনের নামের পাশে ৭৫ রান। নিজের মোকাবিলা পরের ১৯ বলের মধ্যে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
১২৬ রানে থামে লিটনের ইনিংস। ১৫৯ বলের ইনিংসে ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি, আউট হন হাসান আলীকে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে। শরিফুল শেষ পর্যন্ত ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের হয়ে শাহজাদ নেন ৪ উইকেট, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস ২৭৮/১০
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















