আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে লিটনের যে ভাবনা , আগামী অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন লিটন দাস। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি হারের পর সংবাদ সম্মেলনে এমন কথা বলেন লিটন।
সবশেষ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত গত বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে লিটনরা হতাশায় ছিলেন। তবে সময়ের স্রোতে তা মুছে গেছে। পরের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করে দিতে চায় বাংলাদেশ দল। আর ২০২৮ সালের বিশ্বকাপটা যেহেতু উপমহাদেশের বাইরে, দলে অনেক উন্নতির জায়গা দেখছেন লিটন।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে হেরে গেলেও অধিনায়ক হিসেবে সময়টা বেশ ভালোই কাটছে লিটনের। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তখনকার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর চোটে লিটনের নেতৃত্বেই ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ।
পরের সিরিজে পাকাপাকিভাবে নেতৃত্ব পেয়ে যান লিটন। তার নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দুই সিরিজ হারলেও পরের তিনটি সিরিজ টানা জিতে নেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ে নেতৃত্ব দেন দলকে।
সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যৌথভাবে এখন বাংলাদেশের সফলতম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক তিনি। তিন জনের নেতৃত্বেই জয় ১৬টি করে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই সিরিজটি যদিও বাংলাদেশ জিততে পারেনি।
চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচ জিতে যদিও এগিয়ে ছিল তারা। পরের ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর শনিবার মিরপুরে বৃষ্টিবিঘ্নিত শেষ ম্যাচে ৬ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। সিরিজ শেষ ১-১ সমতায়। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন,
অধিনায়কত্বকে আলিঙ্গন করেই নিয়েছেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে নিজের মূল্যায়ন অবশ্য নিজে করতে চাইলেন না।
এছাড়া তিনি বলেন,
আমি অনেক উপভোগ করছি (অধিনায়কত্ব)। আর আমার ভাবনা অবশ্যই… যেহেতু এশিয়াতে খেলা না (বিশ্বকাপ), খেলাটা বাইরে। এশিয়ার (কন্ডিশন) অনুযায়ী হয়তো বা আমাদের দলটা আগেরবার অভ্যস্ত ছিল, বাইরে আমাদের দলে আরও অনেক কিছু আনতে হবে খেলোয়াড় হিসেবে। কারণ যে কন্ডিশনে খেলবেন, যাদের সঙ্গে খেলবেন, খুবই কঠিন হবে। এই দেড়টা বছর যদি আমরা ওই ব্যাপার গুলো মানিয়ে নিয়ে ওখানে যেতে পারি, তাহলে আশা করি ভালো কিছুই হবে।
ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের সাফল্যই বড়
অধিনায়কত্বের এই সময়ের প্রাপ্তি নিয়েও নিজ থেকে বেশি কিছু বলতে চাইলেন না লিটন।,‘প্রাপ্তি তো খারাপ ছিল না। আপনারা যদি উত্তরটা দেন তাহলে খুব ভালো হবে যে, আমার প্রাপ্তি কেমন ছিল। আমার মনে হয়, দল হিসেবে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা যারা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলেছে, তারা খুবই ভালো করেছে গত এক বছরে।
এছাড়া তিনি বলেন,
অবশ্যই চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এই বছরটা আমরা কীভাবে দিতে পারছি, কারণ এই বছরে আরও ছয়টা ম্যাচ আছে এবং ভালো দলের সঙ্গে আছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















