লখনউয়ের কাছে হেরে প্লে-অফের সমীকরণ কঠিন হল চেন্নাইয়ের

লখনউয়ের কাছে হেরে প্লে-অফের সমীকরণ কঠিন হল চেন্নাইয়ের

লখনউয়ের কাছে হেরে প্লে-অফের সমীকরণ কঠিন হল চেন্নাইয়ের, ছবি : ক্রিকইনফো

ইতোমধ্যে ছিটকে পড়া লখনউয়ের কাছে হেরে প্লে-অফে ওঠার সমীকরণ বেশ কঠিন হয়ে গেছে চেন্নাই সুপার কিংসের। শুক্রবার লখনউয়ে সাত উইকেটের বড় পরাজয় দেখেছে তারা স্বাগতিক লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে। ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে থাকা চেন্নাইকে পরের দুই ম্যাচেই জেতা লাগতে পারে প্লে-অফ খেলার জন্য।

প্লে-অফ রেসে না থাকা লখনয়ের কাছে হেরে চেন্নাইয়ের জন্য সামনের দুই ম্যাচে অনেক যদি-কিন্তুর সমীকরণ মেলাতে হবে। হিসেবটা কেমন হবে তা নির্ভর করছে পয়েন্ট টেবিলে তাদের ওপরে থাকা পাঁচটি দল বাকি ম্যাচ গুলোয় কী করে সেটার ওপর। আর লখনউ এখন ভারমুক্ত, যেহেতু তারা ১২ ম্যাচে মাত্র চতুর্থ জয়ে আট পয়েন্ট নিয়ে আগেই রেস থেকে ছিটকে পড়েছে।

শুক্রবার টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে চেন্নাই। ফর্মের তুঙ্গে থাকা সঞ্জু স্যামসন ২০ বলে তিনটি চারে ২০, রুতুরাজ গাইকোয়াড় ৯ বলে ১৩ ও উরভিল প্যাটেল ৭ বলে ৬ রান করে দলকে চাপেই ফেলে দিয়েছেন এদিন। তিনটি উইকেট হারিয়ে ৫২ রান তুলতে ৭.২ ওভার খেলেছেন তারা।

চেন্নাইয়ের কার্তিক শর্মা দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, ছবি : ক্রিকইনফো

চতুর্থ উইকেটে কার্তিক শর্মা ও ডিওয়াল্ড ব্রেভিস ৭০ রানের জুটি গড়ে চেন্নাইকে স্বস্তি দিয়েছেন। ব্রেভিস ১৬ বলে ২টি ছক্কায় ২৫ রানে বিদায় নিলে এই জুটি ভেঙে যায়। দ্রুত গতির কার্তিকও ৪২ বলে ৬টি চার, ৫টি ছয়ে ৭১ রানে সাজঘরে ফেরেন।

শেষ পর্যন্ত চেন্নাই ২০ ওভারে পাঁচ উইকেটে ১৮৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। শিভম দুবে ১৬ বলে ৩টি চার, ২টি ছয়ে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। লখনউয়ের আকাশ সিং চার ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট।

লখনউয়ের কাছে হেরে গেল চেন্নাই

জবাব দিতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই লখনউকে জয়ের ভিত গড়ে দেন মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস। ১১.৪ ওভারে ১৩৫ রানের দুর্দান্ত সেই জুটির সমাপ্তি ঘটে ৩২ বলে ৩টি চার, ১টি ছয়ে ৩৬ রান করা ইংলিসের বিদায়ে।

গুজরাটের মার্শ-ইংলিস ১৩৫ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন, ছবি : ক্রিকইনফো

বিধ্বংসী মেজাজে থাকা মিচেল মার্শ আরেকটি সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে রান আউট হয়ে যান তিনি। মাত্র ৩৮ বলে ৯টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৯০ রান করেন মার্শ। ১২তম ওভারে পরপর দুই বলে দুই ওপেনারের বিদায়ের পরই আব্দুল সামাদ (৭) সাজঘরে ফেরেন।

এরপরও লখনউয়ের জয় পেতে সমস্যা হয়নি। নিকোলাস পুরান ১৭ বলে ১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৩২ রানে অপরাজিত থেকে ২০ বল বাকি থাকতেই জয় ছিনিয়ে আনেন। ১৬.৪ ওভারে লখনউ তিন উইকেটে ১৮৮ রান তুলে জয় পায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

Exit mobile version