হালান্ডের জোড়া গোলে শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দাপট অব্যাহত। শনিবার রাতে নিজেদের মাঠের দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় ইপসউইচ টাউনকে তারা ৩-২ গোলে হারিয়েছে। জোড়া গোল করেছেন আর্লিং হালান্ড। এ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে ম্যানসিটি শীর্ষ অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

জয় পেলেও ম্যাচের শেষ দিকে বেশ চাপে পড়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। ৩-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ইপসউইচ টাউন এক পর্যায়ে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করে ফেলে। আর তখনই চাপে পড়ে যায় ম্যানসিটি। তবে শেষ পর্যন্ত পুরো পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। এর ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের তুলনায় ছয় পয়েন্টে এগিয়ে গেল দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। সিটির অধিনায়ক রুবেন দিয়াসের শট ঠেকিয়ে ইপসউইচকে শুরুতে বিপদমুক্ত করেন গোলরক্ষক ক্রিশ্চিয়ান ওয়ালটন। তবে ১৯ মিনিটে আর প্রতিরোধ গড়তে পারেননি তিনি। বাম দিক থেকে জেরেমি ডোকু বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পেছনে পাস বাড়ান। সেখান থেকে আট গজ দূরত্বে পাওয়া বলে জাল খুঁজে নেন ফিল ফোডেন।

ক্ষণস্থায়ী আনন্দ

তবে সিটির আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, মাত্র দুই মিনিট। আব্দুল ওউয়াত্তারার বাড়ানো নিঁখুত পাস ধরে ডাইজেন মায়েদা গতি ও শক্তিতে পেছনে ফেলেন সিটির রক্ষণভাগের খেলোয়াড় মার্ক গেহিকে। এরপর গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান ইপসউইচের এই খেলোয়াড়।

হালান্ডের জোড়া গোলে শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি
গোল করেছেন জিয়ান ফ্লেমিং। কিন্তু দলকে জয় এনে দিতে পারেননি

সমতা ফেরানোর পরও আক্রমণে সাহজ দেখায় সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠই ইপসউইচ। এমারসনের একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে ৩৪ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় সিটি। মাতেও কোভাচিচের বাড়ানোবল থেকে বক্সে হালান্ডের উদ্দেশে ক্রস আসে। শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন নরওয়েজীয় এই স্ট্রাইকার।

সুযোগ নষ্ট ম্যানসিটির

প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেনি ম্যানসিটি। দিয়াসের শট রুখে দেন ওয়ালটন। হালান্ড, ইলিমান এনদিয়ায়ে ও ডোকুর প্রচেষ্টা আটকে যায় ইপসউইচের দৃঢ়তায়। বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি সিটির। কর্নার থেকে নিকো ও’রাইলির হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর ৬৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড। হ্যাটট্রিকের সুযোগও এসেছিল হালান্ডের সামনে। এনদিয়ায়ের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বল জালে পাঠান তিনি। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ইপসউইচ ম্যাচের অন্তিম মুহুর্তে ব্যবধান কমায়।

এই ম্যাচে ১৩৯ ম্যাচে গোলের সেঞ্চুরি করেছেন হালান্ড। এত কম ম্যাচে কেউ প্রিমিয়ার লিগে গোলের সেঞ্চুরি করতে পারেনি। এর আগে অ্যালান শিয়েরার ১৫০ ম্যাচে ১০০ গোল করেছিলেন।

spot_imgspot_img
spot_img

Related Articles