ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দুর্দশা যেন কাটছেই না। ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে মাইকেল ক্যারিকের দল। নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সে আরেকটি হতাশাজনক পরাজয়ের পাশাপাশি কোচ ক্যারিকের ওপর চাপও বেড়েছে।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা আট ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশায় ডুবেছে ইউনাইটেড। অন্যদিকে দারুণ এই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় উন্নতি করেছে বোর্নমাউথ।
রবিবারের ম্যাচে ইউনাইটেডের একাদশে ছিলেন না অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস। কোমোর কাছে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৪-১ গোলে হারের পর ক্যারিকের কৌশল নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন তিনি। এরপর বোর্নমাউথের বিপক্ষে তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখেন কোচ। ক্যারিক অবশ্য বিষয়টিকে নিছক ফুটবলীয় সিদ্ধান্ত বলে ব্যাখ্যা করেন। তবে ফার্নান্দেসকে ছাড়াই মাঠে নেমে আক্রমণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি স্বাগতিকেরা। বিরতির পরও তাঁকে মাঠে নামাননি ক্যারিক।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করলেও ৩৮ মিনিটে এগিয়ে যায় বোর্নমাউথ। জাস্টিন ক্লুইভার্টের ফ্রি-কিক থেকে দারুণ ভলিতে গোল করেন রায়ান। পাঁচ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মার্কাস ট্যাভার্নিয়ার। লেনি ইয়োরোর পা পিছলে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আদ্রিয়েন ত্রুফের বল বাড়িয়ে দিলে ফাঁকা জালে বল পাঠান তিনি। তাতে বিরতিতে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ইউনাইটেড।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রক্ষণে বড় দুর্বলতা
দ্বিতীয়ার্ধেও বদলায়নি ম্যাচের চিত্র। রক্ষণভাগের একের পর এক ভুলে বোর্নমাউথের আক্রমণ ঠেকাতে হিমশিম খায় স্বাগতিকেরা। ৭১ মিনিটে গোলরক্ষক সেন্নে লামেনসকে বক্সের বাইরে পেয়ে বল পাশ কাটিয়ে ফাঁকা জালে পাঠান এভানিলসন। তাতে ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত হয় সফরকারীদের। এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা চার ম্যাচ জয়ের ধারায় থাকল বোর্নমাউথ। গত সপ্তাহে লিগে প্রথম জয় পাওয়া দলটি দারুণ ছন্দে ফিরেছে। অন্যদিকে ইউনাইটেডের সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ।
প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় আট ম্যাচে মাত্র ৭ পয়েন্ট নিয়ে ১৬তম স্থানে নেমে গেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এক জয়, চার ড্র ও তিন হারে তাদের অবস্থান এখন অবনমন অঞ্চলের মাত্র এক পয়েন্ট ওপরে। অন্যদিকে আট ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৩তম স্থানে উঠে এসেছে বোর্নমাউথ।




