শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের মাঠের লড়াই। প্রথম দিনে যৌথ স্বাগতিক মেক্সিকো শুভ সূচনা করেছে। হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ২-০ গোলের জয়। হুলিয়ান কুইনোনেস ও রাউল জেমিনেজ গোল দুটি করেছেন। ম্যাচে ছিল কার্ডের ছড়াছড়ি। দুই দলের জন্য তিনটি লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। দুটো দেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, একটি মেক্সিকো।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে একটি মাত্র খেলা ছিল। এ জয়ের ফলে ‘এ’ গ্রুপে নেতৃত্ব দিচ্ছে স্বাগতিক মেক্সিকো। এক ম্যাচ শেষে তিন পয়েন্ট তাদের। দক্ষিণ আফ্রিকার ভান্ডার শূন্য।
উদ্বোধনী ম্যাচ মানেই মেক্সিকোর জন্য এক দুঃখ হয়েছিল। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত দলটি মোট সাতবার এককভাবে বা যৌথভাবে বিশ্বকাপের সাতবার উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নেমেছে। কিন্তু স্মৃতি মোটেও স্বস্তিদায়ক ছিল না। প্রতিবারই হয় হার বা ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। এবার সেই দুঃসহ স্মৃতিকে তারা পেছনে ফেলে ভালো করার ইঙ্গিত দিয়েছে। ম্যাচের উভয়ার্ধে করা একটি করে গোল তাদের জয় নিশ্চিত করে
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে গোল দেখার জন্য ফুটবলপ্রেমীদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি, মাত্র ৯ মিনিট। হুলিয়ান কুইনোনেস গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। দশ মিনিট পর আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। এবার অবশ্য সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তার শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এ অর্ধের অতিরিক্ত সময়ে নিশ্চিত গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় মেক্সিকোর ব্যবধান বাড়েনি। ফলে এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লাল কার্ড
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লাল কার্ড। ম্যাচের ৫০ মিনিটের সময় পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে। মারাত্মক ফাউলের জন্য রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখান। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড এটি। তবে এটি যে ম্যাচে বারবার ব্যবহার করতে হবে তা হয়তো তিনি ভাবেননি। কিন্তু করতে হয়েছে। ম্যাচের শেষ সময়ে দুইবার লাল কার্ড ব্যবহার করতে হয়েছে তাকে। থেমবা জোয়ানি ৮৪ মিনিটে এবং সিজার মন্তেস ৯২ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন।
স্পষ্ট আধিপত্য
ম্যাচে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল মেক্সিকোর। ৬০ ভাগ সময় তারা খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে। পাসিং দক্ষতাও এগিয়ে ছিল দল। শতকরা ৯০ ভাগ তারা সঠিক পাস দিয়েছে। বল দখলের লড়াইয়ে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল স্বাগতিক দলের। ৪৭ বার তাদের খেলোয়াড়রা বল দখলের লড়াইয়ে জয় পেয়েছে, যা তাদেরকে জয়ের পথেও নিয়ে গেছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩













