আজীবনের জন্য লুইচ এনরিকের সঙ্গে চুক্তির কথা ভাবছে পিএসজি । গত মৌসুমে এনরিকের অধীনে পিএসজি তাদের ইতিহাসের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে । অবিশ্বাস্য এই সাফল্য ইউরোপে তাদের ভাবমূর্তি পাল্টে দিয়েছে। এনরিকে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন পিএসজির নতুন যুগের স্থপতি হিসেবে।
এনরিকের সঙ্গে বর্তমান চুক্তি ২০২৭ সালে শেষ হলেও পিএসজি আগেভাগেই তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাইছে। দিয়ারিও এএস’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লাবটি এনরিকের সঙ্গে একটি তথাকথিত ‘আজীবন চুক্তি’করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইউরোপীয় এলিট ফুটবলে এমন চুক্তির কথা আগে কখনো শোনা যায়নি।
ক্লাবের শীর্ষ কর্তারা এনরিকের কাজ নিয়ে ভীষণ সন্তুষ্ট এবং তাকে পিএসজির দীর্ঘমেয়াদি ক্রীড়া দর্শনের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পিএসজিতে লুইস এনরিক এমন এক পরিবেশ পেয়েছেন যা তার ফুটবল দর্শনের সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই।
২০২৫ সালে ক্লাবের সাফল্য বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এনরিকে বলেন,
এটা ক্লাবের জন্য ঐতিহাসিক। সাধারণত মৌসুম শেষে মূল্যায়ন হয়, যেহেতু আমরা এখন ২০২৫–২৬ মৌসুমে আছি। এখনই পুরো রিভিউয়ের সময় নয়। তবে যদি শুধু ২০২৫ সালের ক্যালেন্ডার বছরের কথা ভাবি, তাহলে এটা স্পষ্ট যে প্যারিসবাসী ও ক্লাব, উভয়ের জন্যই বছরটি ঐতিহাসিক। আমরা খুশি। একই সঙ্গে বড়দিনের ছুটির জন্যও খুশি। এই বিশ্রাম আমাদের দরকার। ছুটির পর আমরা আবার ফিরব এবং মৌসুমের বাকি অংশ নিয়ে ভাবব।
তবে ট্রফি জয়ের পরও সামনে আছে দুই বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথমত, লুইস এনরিকের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা এবং পিএসজি যে স্থায়ী অংশীদারিত্ব চায়, সেটিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। দ্বিতীয়ত, ভিতিনহা থেকে শুরু করে মূল খেলোয়াড়দের সবাইকে নিরন্তর সাফল্যের এই কঠোর যাত্রায় সম্পৃক্ত রাখা। পিএসজি জানে কাজটা সহজ নয়। ধারাবাহিক সাফল্য মানেই বাড়তি নজর।
