লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে প্লে-অফ রেসে থাকল রাজস্থান রয়্যালস। মঙ্গলবার জয়পুরে আগেই ছিটকে পড়া লখনউকে সাত উইকেটে হারিয়েছে তারা। ফলে চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে বেশ ভালোভাবেই শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে রাজস্থান।
টানা তিনটি হারের পর এই জয়ে প্লে-অফ রেসে থাকল রাজস্থান। লখনউয়ের কাছে হেরে গেলে অনেক সমীকরণের মারপ্যাঁচে পড়ে বাদ পড়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে যেত। কিন্তু এখন শেষ ম্যাচে এবারের আসরে বাজে অবস্থায় থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে হারাতে পারলেই প্লে-অফ নিশ্চিত হবে তাদের।
মানসিং স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে লখনউকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রাজস্থান। মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস মাত্র ৮.২ ওভারে ১০৯ রানের জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। ২৯ বলে ৭টি চার, ৩টি ছক্কায় ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নেন ইংলিস।
আর মার্শ এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। দ্বিতীয় উইকেটে তিনি নিকোলাস পুরানের সঙ্গে আরো ৪২ রান যোগ করেন। ১১ বলে দুই ছক্কায় ১৬ রানে পুরান আউট হলে তৃতীয় উইকেটে ঋষভ পান্তের সঙ্গে ৬৪ রানের জুটি গড়েন মার্শ। পান্ত ২৩ বলে ২টি করে চার-ছয়ে ৩৫ রান করেন।
মার্শ সেঞ্চুরি থেকে চার রান দূরে থাকতে শেষ ওভারের পঞ্চম বলে রানআউট হয়ে যান। তিনি ৫৭ বলে ১১টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৯৬ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেটে ২২০ রান করে রাজস্থান। যশ রাজ পাঞ্জা চার ওভারে ৩৫ রানে নেন দুই উইকেট।
দারুণ জয়ে প্লে-অফ রেসে থাকল রাজস্থান
জবাব দিতে নেমে বৈভব সূর্যবংশীর টর্নেডো ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজস্থান। ওপেনিং জুটিতে তার সঙ্গে ৭৫ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন যশস্বী জয়সওয়াল। তিনি ২৩ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৩ রান করেন।
দ্বিতীয় উইকেটে আরো ১০৫ রান যোগ করেন সূর্যবংশী ও ধ্রুব জুরেল। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র সাত রান দূরে থাকতে ১৪তম ওভারের শেষ বলে মহসিন খানের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সূর্যবংশী। তিন ৩৮ বলে ৭টি চার ও ১০টি ছক্কায় ৯৩ রান করেন।
তবে জুরেল ৩৮ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৯.১ ওভারে তিন উইকেটে ২২৫ রান তুলে জয় পায় রাজস্থান। মহসিন ও আকাশ সিং একটি করে উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
লখনউ- ২২০/৫; ২০ ওভার (মার্শ ৯৬, ইংলিস ৬০, পান্ত ৩৫; পাঞ্জা ২/৩৫, আর্চার ১/৩৯)।
রাজস্থান- ২২৩/৩; ১৯.১ ওভার (সূর্যবংশী ৯৩, জুরেল ৫৩*, জয়সওয়াল ৪৩; মহসিন ১/৩১, আকাশ ১/৫৪)।
ফল : রাজস্থান রয়্যালস ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : বৈভব সূর্যবংশী।
