লজ্জার রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় তিউনিসিয়ার

লজ্জার রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় তিউনিসিয়ার

ছবি : কালেক্টেড

লজ্জার রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় তিউনিসিয়ার । ২০২৬ বিশ্বকাপে তিউনিসিয়ার অভিযান শেষ হলো চরম হতাশা আর এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মধ্য দিয়ে। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই ভেঙে পড়েছে উত্তর আফ্রিকার দলটি। শুধু বিদায়ই নয়, নিজেদের নাম লিখিয়েছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বাজে রক্ষণভাগের তালিকাতেও।

টুর্নামেন্টের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্ন দিয়ে। প্রথম ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ৫-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পরই প্রধান কোচকে সরিয়ে দেয় তিউনিসিয়া ফুটবল ফেডারেশন। নতুন কোচ এনে পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনো লাভ হয়নি। পরের দুই ম্যাচেও একইভাবে হতাশ করেছে দলটি।

তিন ম্যাচ মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে তিউনিসিয়া মোট ১২টি গোল হজম করেছে। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক আসরে গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বেশি গোল খাওয়ার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়া এবং ২০০২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবও গ্রুপ পর্বে ১২টি করে গোল হজম করেছিল।

শুধু তিউনিসিয়াই নয়, এবারের বিশ্বকাপে রক্ষণভাগের ব্যর্থতায় কাতারও জায়গা করে নিয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত তালিকায়। গ্রুপ পর্বে তাদের জালে বল ঢুকেছে মোট ১০ বার, যা এক আসরে সবচেয়ে বেশি গোল খাওয়া দলগুলোর তালিকায় কাতারকে নিয়ে গেছে শীর্ষ দশের মধ্যে।

আধুনিক ফুটবলে সফলতার অন্যতম শর্ত শক্তিশালী রক্ষণভাগ। বড় দলগুলো যেখানে ডিফেন্স সংগঠিত রাখতে বাড়তি গুরুত্ব দেয়, সেখানে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে মাত্র তিন ম্যাচে ১২ গোল হজম করা যে কোনো দলের জন্য বড় ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তিউনিসিয়ার এবারের বিশ্বকাপ অভিযান শুধু ব্যর্থই নয়, ভবিষ্যতের জন্য বড় সতর্কবার্তাও। কারণ আন্তর্জাতিক ফুটবলে টিকে থাকতে হলে রক্ষণভাগের এই দুর্বলতা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

Exit mobile version