যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এর সাথে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। দলে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রধান সুজান ভাইজ (Susan Vize)।
এই প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি’র ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, ইউএন ওমেন এর পার্টনারশিপ এনালিস্ট সৈয়দা সামারা মোরতাদা, ইউএনডিডি এর টেকনিক্যাল অফিসার হাবিবুর রহমান এবং আন্তর্জাতিক লেবার অর্গানাইজেশণ এর কান্ট্রি অফিসার গুঞ্জন বি. ডাল্লাকোটি।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের যুব উন্নয়ন, নীতি প্রণয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত ইয়্যুথ ভয়েস মেকানিজম (ওয়াইভিএম) প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের তরুণদের মতামত, প্রত্যাশা এবং প্রয়োজনকে একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া। প্রতিনিধিরা মনে করেন,
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তরুণদের অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে এবং নীতি প্রণয়নে তাদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এছাড়াও, বর্তমান সময়ের চাহিদা বিবেচনায় জাতীয় যুব নীতি এবং যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংক্রান্ত কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কারিগরি সহায়তা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। প্রতিনিধি দল সরকারের কাছে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী এবং উপস্থিত প্রতিনিধিরা একমত পোষণ করেন যে,
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যুব সমাজকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। তারা আলোচনা করেন কীভাবে সরকার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করে যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নেতৃত্ব বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
এছাড়া ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সম্ভাব্য অগ্রাধিকার খাতগুলো চিহ্নিত করার বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করে যে,
এই ধরনের সংলাপ ও সহযোগিতা দেশের চলমান যুব উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রতিনিধি দলের প্রস্তাবনাগুলোকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের যুব সমাজের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। তিনি উল্লেখ করেন,
সরকারের লক্ষ্য হলো এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর নীতি কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে দেশের তরুণরা তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পাবে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















