মোস্তাফিজের আইপিএল ইস্যুতে যা বললো আইসিসি । ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থানে বাংলাদেশ। সপ্তাহ তিনেক আগেই আইসিসিকে কারণ হিসেবে নিরাপত্তা শঙ্কার বিষয়টি উল্লেখ করেছিল বিসিবি। একইসঙ্গে আবেদন জানানো হয় ভেন্যু পরিবর্তনের।
এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সঙ্গে একাধিক চিঠি চালাচালি ও বৈঠকেও বদলায়নি সিদ্ধান্ত। আইসিসি সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে বুধবার (২১ জানুয়ারি) সভায় বিসিবিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভেন্যু বদলানো সম্ভব নয়, বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে।
অন্যথায় বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো দলকে যুক্ত করা হবে। অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আইসিসির কাছ থেকে একদিনের সময় পেয়েছে বিসিবি।
এ বৈঠকের পরই এক বিবৃতিতে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজের বাদ পড়া ইস্যুতে কথা বলে আইসিসি। যার সূত্র ধরেই নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠেছিল। কারণ আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দিতে ভারতের একাধিক উগ্রবাদী গোষ্ঠী নানা হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।
যা আমলে নিয়ে গত ৩ জানুয়ারি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেয়। ফলে প্রশ্ন উঠে, যারা একজন খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা দিতে অপরাগ তারা কীভাবে পুরো একটি দলকে নিরাপত্তা দেবে?
আইসিসির কাছে ভেন্যু বদলের জন্য বিসিবির প্রস্তাবে প্রসঙ্গটিও উঠে আসে। তবে আইসিসি মোস্তাফিজ ইস্যুকে বিশ্বকাপের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মানতে নারাজ। সংস্থাটির মতে, একটি ঘরোয়া লিগে একজন খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ নিয়ে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনার সঙ্গে বিশ্বকাপের নিরাপত্তা কাঠামোর কোনো সম্পর্ক নেই।
এক বিবৃতিতে এ নিয়ে আইসিসির এক মুখপাত্র বলেন,
বাংলাদেশের দলের নিরাপত্তাকে বাস্তবভাবে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে, এমন কোনো স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন না থাকায় আইসিসি ম্যাচ স্থানান্তর করতে পারছে না।
সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিসিবি তাদের অবস্থানে অনড় থাকে এবং বারবার টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়টিকে একটি একক, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্কহীন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে, যা তাদের এক খেলোয়াড়ের (মোস্তাফিজ) একটি ঘরোয়া লিগে (আইপিএল) অংশগ্রহণসংক্রান্ত। এই বিষয়টির সঙ্গে আইসিসির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিরাপত্তা কাঠামো বা অংশগ্রহণের শর্তাবলির কোনো সম্পর্ক নেই।’
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















