ইনজুরির কারণে যোগ করা সময়ের ৫ম মিনিটে আত্নঘাতি গোলে ভারতের বিপক্ষে ৪-৩ গোলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। গ্রুপের প্রথম লেগে ভারতের কাছে ২-০ হেরেছিলো বাংলাদেশ দল। পরবর্তীতে ভুটানের সাথে ড্র করে শিরোপা রেস থেকেও ছিটকে যায় মাহবুবুর রহমান লিটুর মেয়েরা। ফলে এই ম্যাচটি ছিলো মর্যাদার লড়াই। ম্যাচের পুরোটা সময় দাপুটে খেলা উপহার দিয়েই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে অর্পিতা বিশ্বাসের দল।
টুর্নামেন্টের ফর্মেট অনুযায়ী সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী দল হিসেবে ভারত ইতিমধ্যেই শিরোপ জয় নিশ্চিত করেছে। আর বাংলাদেশ রানার্স আপ। এই দুই দলের লড়াই শেষে হাসি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে অর্পিতা-প্রীতিরা।
পূর্ণিমা মারমার গোলে ম্যাচের ২৬ সেকেন্ডেই লিড নেয় বাংলাদেশ। সমতা ফেরাতে বেশি সময় নেয়নি ভারতীয় দল। আনুষ্কা কুমারীর স্কোরে সমতা ফেরানোর পর প্রথমার্ধে আবারও লিড নেয় মাহবুবুর রহমান লিটুর মেয়েরা। এই দফায় বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন আলপি আক্তার। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর বাংলাদেশকে ৩-১ গোলে এগিয়ে দেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। ৬৫তম মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেঘলা রাণীর মাথার ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দিয়ে ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে নামেন বদলি খেলোয়াড় প্রীতিকা বর্মণ। ৮৯তম মিনিটে প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে অবিশ্বাস্য এক গোলে ভারতকে ৩-৩ গোলের সমতায় ফেরান অধিনায়ক ঝুলন নংমাইথেম।
নিশ্চিত জয় ছাড়া হওয়ার মুখে ইনজুরি সময়ে জয়সূচক গোল পায় বাংলাদেশ দল। উজ্জীবিত ভারতীয় দলের ওপর চড়াও হয়ে বারবার আক্রমণে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা। যোগকরা সময়ের ৫ম ও শেষ মিনিটে ডানপ্রান্ত দিয়ে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে শট নেন প্রীতি। ভারতের গোলরক্ষক মুন্নী দ্বিতীয় দফায় তা ফিরিয়ে দিলেও ডিফেন্ডার দিভইয়ান্নি লিন্ডার পায়ে লেগে আত্নঘাতি গোল পায় বাংলাদেশ।
