তদন্ত প্রতিবেদন: বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল আসিফ নজরুলের

0
11
আসিফ নজরুল

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ভূমিকা ছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সিদ্ধান্তটি ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নেওয়া হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্মতি ছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ কেন সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি, সেই সিদ্ধান্তের কারণ অনুসন্ধানে গত মার্চে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। মঙ্গলবার কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ. কে. এম ওলি উল্যার নেতৃত্বে গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর এবং সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও জাতীয় দলের বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে না খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে কমিটি জানিয়েছে।

তবে বিষয়টি শুধু মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্ত ছিল না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে বিসিবিরও সম্মতি ছিল। ফলে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিসিবি-দুই পক্ষেরই অবস্থান ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন নানা আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। জাতীয় দলের এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে কৌতূহল ছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আবারও আলোচনায় এসেছে।

প্রতিবেদনে আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি বিসিবির সম্মতির বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়াকে শুধু মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই-তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অন্তত তেমনটাই বলছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের দায় ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ভূমিকা ছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সিদ্ধান্তটি ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নেওয়া হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্মতি ছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ কেন সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি, সেই সিদ্ধান্তের কারণ অনুসন্ধানে গত মার্চে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। মঙ্গলবার কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ. কে. এম ওলি উল্যার নেতৃত্বে গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর এবং সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও জাতীয় দলের বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে না খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে কমিটি জানিয়েছে।

তবে বিষয়টি শুধু মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্ত ছিল না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে বিসিবিরও সম্মতি ছিল। ফলে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিসিবি-দুই পক্ষেরই অবস্থান ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন নানা আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে জাতীয় দলের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে কৌতূহল ছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আবারও আলোচনায় এসেছে।

প্রতিবেদনে আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি বিসিবির সম্মতির বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়াকে শুধু মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই-তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অন্তত তেমনটাই বলছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের দায় ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here