টেস্ট ক্রিকেটে ওপেনিং জুটি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ। সময়ের সঙ্গে একাধিক ব্যাটারকে দিয়ে চেষ্টা করা হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি। জাতীয় দলের ওপেনার সাদমান ইসলামও ৩০টি টেস্ট খেলেও নিজের জায়গায় ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি। এরপরও তাঁর ওপর আস্থা রাখছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন একমাত্র টেস্টের দলেও জায়গা পেয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
সাদমানকে নিয়ে অবশ্য আশা হারাচ্ছেন না জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সাদমান নিজের সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন।
আশরাফুল বলেন, ‘সাদমান বাংলাদেশের হয়ে ৩০টা টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়েই খেলবেন। তিনি চেষ্টা করছেন, যে জায়গায় তাঁর সমস্যা হচ্ছে, সেই বিষয়গুলো উন্নত করার।’
এদিকে দীর্ঘদিন পর লাল বলের ক্রিকেটে ফিরতে যাওয়া জাকের আলী অনিককে নিয়েও আশাবাদী আশরাফুল। অনুশীলনে তাঁর ব্যাটিংয়ে ছন্দের আভাস পেয়েছেন ব্যাটিং কোচ।
জাকেরকে নিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, সে রিদমে আসছে। আশা করি, সুযোগ পেলে ভালো করবে ইনশাআল্লাহ।’
চোটের কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে খেলতে পারছেন না তরুণ পেসার নাহিদ রানা। তবে তাঁর অনুপস্থিতিকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন না আশরাফুল। নাহিদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে এবং পরবর্তী সময়ে তিনি ফিরতে পারেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নাহিদের চোট নিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘নাহিদ রানার যে ইনজুরি, এটা আমরা সবাই জানি। সে রিকভার করছে। প্রথম টেস্ট ম্যাচে সে অ্যাভেইলেবল নয়। পরে হয়তো ফিট হবে। নির্বাচক, ক্যাপ্টেন, কোচ-তাঁরা হয়তো তাঁকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
নাহিদ না থাকলেও দলের পেস বোলিং বিভাগ নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী আশরাফুল। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাহিদ না থাকলেও অন্য পেসাররা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
আশরাফুল বলেন, ‘আমাদের বাকি পেস বোলাররা আলহামদুলিল্লাহ ভালো করছে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠেও নাহিদ রানা ছিল না, তারপরও আমরা দাপট দেখিয়ে একটা টেস্ট জিতেছি। দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচেও আমাদের পেস বোলাররা অসাধারণ বল করেছে। মাশা-আল্লাহ, যারাই খেলছেন, যারাই সুযোগ পাচ্ছেন, তাঁরা ভালো করছেন।


