বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা আরও বাড়ছে

তিন ফেডারেশনের ১৩ দল দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপ। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বেড়ে এবার ৪৮ হয়েছে। এখানেই থামছে না ফিফা। বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা আরো বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা করছে সংস্থাটি।

বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৪৮ হওয়াতে অনেকেই বিশ্বকাপের মান নিয়ে অনেকেই সন্দিহান হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু নতুন আসা দলগুলো দারুণ খেলেছে। চমৎকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। বড় দলগুলোকে টেক্কা দিয়েছে। এতে করে আশাম্বিত হয়ে উঠেছে বিশ্ব ফুটবল সংস্থাটি। ২০৩০ সালে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৬৪ করা যায় কিনা সে ব্যাপারে আলোচনা চলছে।

আগামী বিশ্বকাপ ২০৩০ সালে। বিশ্বকাপে শতবর্ষ পূরণ হবে আগামী আসরে। স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো যৌথভাবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের আয়োজন করবে। আর বিশ্বকাপের শতবর্ষ হওয়ায় একটি করে ম্যাচ উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রস্তাব উঠেছিল গত সেপ্টেম্বরে

গত বছরের সেপ্টেম্বরের ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছিল। সংস্থাটির সভাপতি জয়িান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, এই বিশ্বকাপের পর দেশের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে অবশ্যই পরীক্ষা করা হবে এবং এ বিষয়ে আলোচনা হবে। তিনি আরও বলেন, এটা বিশ্বকাপ, এটা গোটা বিশ্বের জন্য। এটা শুধু ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয়।

ইনফান্তিনো বলেন, বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখার অধিকার প্রতি দেশের রয়েছে। সারা বিশ্বে ফুটবল খেলা দেশগুলোর মান বাড়ছে। ছোট দেশগুলোকেও বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। অন্যথায় তাদের উন্নতি করার চেষ্টায় ভাটা পড়তে পারে। তারা হতাশ হতে পারে। এতে তাদের উন্নতির মান কমে যাবে।

শুরুতে শঙ্কা ছিল

ইনফান্তিনো বলেন, ৪৮ দেশ নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনে যে শঙ্কা ছিল তা এখন আর নেই। আয়োজন শতভাগ সফল হয়েছে। অনেকেই শুরুতেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু তারা এখন বিষয়টি মেনে নিয়েছেন।

৬৪ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন প্রথম বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দল উরুগুয়ের ফুটবল কর্মকর্তা ইগনাসিয়া আলোন্সো। পরে লাতিন আমেরিকা ফুটবল সংস্থার সভাপতি আলেজান্দ্রো ডোমিঙ্গেজও প্রস্তাব সমর্থন করেন। তবে উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন এর বিরোধিতা করেছেন।

৪৮ দল হওয়াতে এবারের বিশ্বকাপের মেয়াদ বেড়েছে। সেই ১১ জুন শুরু হয়েছে। অনেক হাসি কান্নাকে সঙ্গী করে প্রায় ৪০ দিনের লড়াই আগামী ১৯ জুলাই শেষ হবে। তারপর আবার চার বছরের অপেক্ষা।

spot_imgspot_img
spot_img

Hot Topics

Related Articles