বিশ্বকাপের ফাইনালের আগেই ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্ব। যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে দুই বিশ্বসেরা তারকার দল। সেই লড়াইয়ে যারা জিতবে। তারাই এগিয়ে থাকবে সোনালী ট্রফির পথে! সোমবার ডালাসে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। দলীয় লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচটির বড় আকর্ষণ দুই তারকার ব্যক্তিগত দ্বৈরথ।
২০১৮ বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে যখন ফ্রান্সকে শিরোপা জেতানোর নায়ক! তখন লামিনে ইয়ামালের বয়স মাত্র ১১ বছর। সাত বছর পর সেই ইয়ামালই বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তরুণ তারকাদের একজন। এবার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছেন এমবাপ্পে ও ইয়ামাল।
যদিও বিশ্বকাপে এই প্রথম দেখা, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এর আগে ১০ বার মুখোমুখি হয়েছেন তারা। সেই লড়াইয়ে এগিয়ে ইয়ামাল। ১০ ম্যাচের মধ্যে ৮টিতেই জয় পেয়েছেন স্পেনের এই উইঙ্গার।
জাতীয় দলের হয়ে দুবার মুখোমুখি হয়েছেন এমবাপ্পে ও ইয়ামাল। ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে স্পেন। ওই ম্যাচে দুর্দান্ত এক গোল করেন ইয়ামাল। এক বছর পর উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালেও ৫-৪ ব্যবধানে জেতে স্পেন। সেবার ইয়ামাল করেন জোড়া গোল, আর এমবাপ্পেও গোলের দেখা পান।
ক্লাব ফুটবলেও জমেছে তাদের লড়াই। চ্যাম্পিয়নস লিগ, এল ক্লাসিকো, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও কোপা দেল রের ফাইনাল—বিভিন্ন আসরে মুখোমুখি হয়েছেন দুজন। জয়ের হিসাবে ইয়ামাল এগিয়ে থাকলেও গোলসংখ্যায় এগিয়ে এমবাপ্পে। ১০ ম্যাচে ফরাসি অধিনায়কের গোল ৯টি, ইয়ামালের ৬টি।
বিশ্বকাপে দুজনের গল্পও ভিন্ন। ২০১৮ সালে ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। অন্যদিকে ১৮ বছর বয়সেই নিজের প্রথম বিশ্বকাপে স্পেনের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন ইয়ামাল।
ডালাসের সেমিফাইনাল তাই শুধু ফ্রান্স-স্পেনের ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, এটি বিশ্ব ফুটবলের বর্তমান ও ভবিষ্যতের দুই তারকার আরেকটি বহুল প্রতীক্ষিত দ্বৈরথ। শেষ পর্যন্ত হাসবে এমবাপ্পে, নাকি ইয়ামাল-সেই উত্তর মিলবে মাঠেই।


