সিলেট টেস্টে জিতলেই সিরিজ নিজেদের করে নেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, প্রথম টেস্টে হারের ধাক্কা সামলে সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া বাংলাদেশ। সিলেটে দুই দলের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হচ্ছে এমন সমীকরণ সামনে রেখে। ঢাকায় প্রথম টেস্টে ২০১ রানের জয়ে এগিয়ে থাকা ক্যারিবীয়রা এবারও জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায়।
চলতি বছর তৃতীয় টেস্ট সিরিজ খেলছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ ড্র এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেয়েছে তারা। দুই সিরিজই ছিল নিজেদের মাঠে। সিলেটে জিততে পারলে দেশের বাইরে বিরল সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে ক্যারিবীয়রা। প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামির কণ্ঠে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের মাটিতে বোলারদের সাফল্য নিয়ে ছিল গর্ব। ঢাকায় জোমেল ওয়ারিকান ও অধিনায়ক রস্টন চেজ পাঁচ উইকেট করে নিয়েছিলেন। নবাগত জশুয়া বিশপও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নজর কাড়েন।
ব্যাটিংয়েও ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবদান ছিল। জন ক্যাম্পবেল ও ত্যাগেনারিন চন্দরপল প্রথম ইনিংসে অর্ধশতক করেন। আর চতুর্থ ইনিংসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের সুবাদে সহজ জয় পায় দলটি। সিলেটে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেসারদেরও বাড়তি ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান চিন্তা ব্যাটিং ও স্পিন। ঢাকায় প্রথম ইনিংসে শতক করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৪২ রানে গুটিয়ে যায় দল। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কাছ থেকে এবার বড় ইনিংসের প্রত্যাশা। সিলেটে তাঁর দুটি টেস্ট শতক রয়েছে। আঙুলের চোটে প্রথম টেস্টে খেলতে না পারা মুশফিকুর রহিম ফিরছেন একাদশে। তবে স্পিনার তাইজুল ইসলামকে নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। শেষ চার টেস্টে মাত্র পাঁচ উইকেট নেওয়া এই বাঁহাতি স্পিনার একাদশে জায়গা হারাতে পারেন।
সিলেটের উইকেটে ঢাকার তুলনায় পেস ও বাউন্স বেশি থাকার সম্ভাবনা। এতে ব্যাটারদের পাশাপাশি পেসাররাও সুবিধা পেতে পারেন। বাংলাদেশের একাদশে তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ফিরতে পারেন পেসার কেমার রোচ। সিরিজ বাঁচাতে বাংলাদেশকে ব্যাটিং ও বোলিং-দুই বিভাগেই উন্নতি করতে হবে।


