শেষ মুহূর্তে আর্লিং হালান্ডের গোলে ম্যানসিটির রোমাঞ্চকর জয়

দুইবার এগিয়ে গিয়েও স্বস্তিতে থাকতে পারেনি ম্যানচেস্টার সিটি। জার্মানির ক্লাব আরবি লাইপজিগের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় পেয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ৭৮ মিনিটে আর্লিং হালান্ডের গোলেই নিশ্চিত হয় ইংলিশ ক্লাবটির জয়।

এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে চার ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকার সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে ম্যানসিটি। চলতি মৌসুমে প্রতিযোগিতায় একমাত্র হারটি গত মাসে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির বিপক্ষে। তবে প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলা ও ব্রাইটনের কাছে টানা দুই হারের পর এই জয় কিছুটা স্বস্তি দেবে দলটিকে।

ভাগ্যের সহায়তায় এগিয়ে ম্যানসিটি

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে লাইপজিগ। নুসা, ক্রিস্টোফ বাউমগার্টনার ও ব্রাজান গ্রুদার প্রচেষ্টায় একাধিকবার বিপদে পড়ে ম্যানসিটি। তবে ৩৭ মিনিটে ভাগ্যের সহায়তায় এগিয়ে যায় সফরকারীরা। রায়ান শেরকির পাস থেকে নিকো ও’রাইলির কাটব্যাক ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান লাইপজিগের ডিফেন্ডার কাস্তেলো লুকেবা।

গোল করে যেন উড়তে চাইছেন এনজো ফার্নান্দেজ

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা লাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসার সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন রিডল বাকু। এরপর ৬৩ মিনিটে ইলিমান দিয়ের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সিটিকে আবার এগিয়ে দেন এনজো ফার্নান্দেজ।

লিড ধরে রাখতে ব্যর্থ ম্যানসিটি

কিন্তু এবারও লিড ধরে রাখতে পারেনি সিটি। ক্রিস্টোফ এনকুনকুর পাস থেকে ৬৮ মিনিটে গোল করে লাইপজিগকে সমতায় ফেরান নুসা। এরপর ৭৮ মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের দারুণ নিচু ক্রস থেকে গোল করে সিটির জয় নিশ্চিত করেন হালান্ড। এই গোলটি ছিল লাইপজিগের বিপক্ষে হালান্ডের নবম ম্যাচে ১৩তম গোল। কোনো একটি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এটিই তাঁর সর্বোচ্চ গোল। চলতি মৌসুমে এটি নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের ১৪তম গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ৬১ ম্যাচে ৬২তম গোল।

শেষ দিকে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করে। লাইপজিগের ডেভিড রাউমের ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। অন্য প্রান্তে শেরকির শটও আঘাত হানে ক্রসবারে। তবে শেষ পর্যন্ত হালান্ডের গোলেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানসিটি।

spot_imgspot_img
spot_img

Related Articles