মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশকে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার সিলেটে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে দুই দল। স্বাগতিকদের সামনে সিরিজ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ থাকলেও ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে দেশে ফেরা। সিলেট টেস্টের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি।
প্রথম টেস্টে দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট স্যামি। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে জন ক্যাম্পবেল ও ব্রেন্ডন কিংয়ের ধারাবাহিকতায় মুগ্ধ তিনি। দীর্ঘদিনের মধ্যে এই দুজনকে দলের অন্যতম সেরা ওপেনিং জুটি হিসেবেও উল্লেখ করেছেন ক্যারিবীয় কোচ। তাঁর মতে, ব্যাটিং অর্ডারে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার পরও দলের খেলোয়াড়েরা নিজেদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন।
সিলেটের উইকেট নিয়ে এখনই চূড়ান্ত মন্তব্য করতে চান না স্যামি। তাঁর ধারণা, মাঠের ইতিহাস অনুযায়ী এখানে ব্যাটারদের জন্য ভালো সুযোগ থাকতে পারে। তবে উইকেটে ঘাস থাকায় ম্যাচের দিন পরিস্থিতি বুঝেই একাদশ নির্বাচন করবেন তারা। পেস সহায়ক উইকেট হলে কেমার রোচকে ফেরানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
বাংলাদেশের কোচ ফিল সিমন্সের প্রশংসা করে স্যামি বলেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিততে পারলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের চক্রটা ভালোভাবে শেষ হবে। স্পিন সহায়ক উইকেটেও প্রথম টেস্টে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রতিপক্ষের স্পিনারদের চাপে রেখে ১৭০ রানের লক্ষ্য সহজেই টপকে যাওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।
নিজেদের সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতা নিয়েও গর্বিত স্যামি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ৩২ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো বছরে টেস্ট সিরিজ না হারের কৃতিত্ব অর্জনের পথে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯৯৪ সালের পর এমন সাফল্য দেখেনি দলটি।
স্যামি আরও জানান, খেলোয়াড়দের প্রতিশ্রুতি ও কঠোর পরিশ্রমেই এই সাফল্য এসেছে। সিলেটে জিততে পারলে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ছয় নম্বরে ওঠার সুযোগও তৈরি হবে। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের কাছ থেকে কঠিন প্রতিরোধের প্রত্যাশা করলেও সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ক্যারিবীয় কোচ।


