পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক পেলেন আফ্রিদি । পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি অলরাউন্ডার বুমবুম শহীদ আফ্রিদি দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’পেয়েছেন। দেশের হয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলে লম্বা সময় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে এই পদক পেলেন তিনি।
অবশ্য আফ্রিদির আগে ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম এবং ওয়াকার ইউনিসকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা হিলাল-ই-ইমতিয়াজ দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক আব্দুল হাফিজ কারদার ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর হিলাল-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কার পেয়েছেন।
তাকে পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান স্থপতি হিসেবেও গণ্য করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২৬টি টেস্ট খেলেছেন আব্দুল হাফিজ কারদার। পরবর্তীতে এক প্রতিক্রিয়ায় আফ্রিদি নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে তামঘা-ই-ইমতিয়াজ পাওয়া আমার জন্য গর্বের।
এটি কেবল শহীদ আফ্রিদির জন্যই নয়, পুরো পাকিস্তানি জাতির জন্য সম্মানের। আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং সমর্থন আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। এই পদক তাদের নামে যারা মাতৃভূমিকে রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছে।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি তার বাসভবন আইওয়ান-ই-সদরে শহীদ আফ্রিদিকে ওই পদক পরিয়ে দেন। সাবেক এই অলরাউন্ডারকে ২০০৯ সালে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে অসাধারণ ভূমিকার পাশাপাশি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট এবং ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডসে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের ৪৬ বছর বয়সী এই তারকা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৫২৪টি ম্যাচ খেলেছেন। ৩৯৮ ওয়ানডেতে ৩৯টি হাফসেঞ্চুরি, ৬ সেঞ্চুরিসহ ৮০৬৪ রান এবং ৩৯৫ উইকেট নিয়েছেন আফ্রিদি। এ ছাড়া ৯৯ টি-টোয়েন্টিতে ১৪১৬ রানের পাশাপাশি তার শিকার ৯৮ উইকেট।
এছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও বেশ জনপ্রিয় ছিলেন আফ্রিদি। তিনি পিএসএল, বিপিএল, এলপিএল, সিপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টি, বিগ ব্যাশ এবং আইপিএলের এক মৌসুমে খেলেছেন।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















