স্পোর্তিংয়ের সঙ্গে ড্র করে সেমিফাইনালে আর্সেনাল

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

আর্সেনাল বনাম স্পোর্তিং লিসবন ম্যাচে বল দখলের লড়াই

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগের ম্যাচে প্রতিপক্ষের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল আর্সেনাল। প্রথম লেগে এগিয়ে থাকা, ঘরের মাঠে খেলা- সব মিলিয়ে এগিয়ে থাকার বাড়তি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আর্সেনাল। বুধবার রাতে স্পোর্তিং লিসবনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে। তবে প্রথম লেগের খেলায় ১-০ গোলে জয় পাওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ চারে উঠেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটি।

ফাইনালে ওঠার লড়াই

ঘরোয়া লিগে শিরোপা জয়ের দৌড়ে এগিয়ে আর্সেনালের সামনে এখন ফাইনালে ওঠার লড়াই। সে লড়াইয়ে ইংলিশ ক্লাবটি মোকাবেলা করবে স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদকে। অন্য এক সেমিতে বায়ার্ন মিউনিখ খেলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ত জার্মেইকে। এর ফলে চার লিগ থেকে ভিন্ন চার দল বায়ার্ন মিউনিখ, প্যারিস সেন্ত জার্মেই, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও আর্সেনাল সেমিফাইনালে প্রতিনিধিত্ব করবে।

আগামী ২৮ এপ্রিল সেমিফাইনালের প্রথম লেগের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ফিরতি লেগের খেলা ৬ মে। প্রথম লেগের খেলায় বায়ার্নকে আতিথেয়তা দেবে প্যারিস সেন্ত জার্মেই। অন্য ম্যাচে প্রথম লেগে স্পেন সফর করবে আর্সেনাল।

সেমিফাইনালে যেতে স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে ড্র দরকার ছিল আর্সেনাল। সেই কাজটি করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটি। তবে দূর্ভাগ্য সফরকারী স্পোর্টিংয়ের। প্রথমার্ধে দলটি গোল পেতে পারতো। কিন্তু প্রথমার্ধে জেনি কাতামোর নেওয়া শটটি আর্সেনালের পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

শুধু বল নয় খেলোয়াড়ও টেনে ধরে স্পোর্তিংয়ের খেলোয়াড়রা

পরিসংখ্যানে এগিয়ে ছিল আর্সেনাল

ম্যাচের আগে পরিসংখ্যানে এগিয়ে ছিল আর্সেনাল। ইংল্যান্ডের মাটিতে স্পোর্টিং লিসবন সর্বশেষ ১০ ম্যাচে কোনো জয় পায়নি। একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বশেষ ১০ অ্যাওয়েতে তারা জয়ের দেখা পায়নি। তবে আর্সেনালের সমস্যার শেষ ছিল না। একে তো এফএ কাপ ও লিগ কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। ঘরোয়া লিগে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকলেও বোর্নমাউথের কাছে হারের তিক্ত স্মৃতি নিয়ে এ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল তারা। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ওঠার স্বস্তি ঘরোয়া লিগে ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হওয়ার আগে তাদের ওপর কিছুটা হলেও চাপ কমাবে।

আগুনের মতো খেলার পরামর্শ

আর্সেনালের কোচ মাইকেল আরতেতা ছেলেদের আগুনের মতো খেলতে বলেছিলেন। প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু ঘরের মাঠে আর্সেনাল ছিল ছন্নছাড়া এক দল। বিশেষ করে বুকায়ো সাকা ও মার্টিন ওডেগার্ড চোটের কারণে না থাকায় তাদের অভাবটা বড়ভাবে ধরা পড়ে। রক্ষণের ভুলে বারবার বল হারানোয় প্রতিপক্ষকে সুযোগ করে দেয়। যদিও প্রতিপক্ষ দল সে সব সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। ভাগ্য তাদের সহায় হলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারতো। গোলরক্ষক দাভিদ রায়াও বড় এক ভুল করে দলকে বিপদে ফেলেছিলেন।

Exit mobile version