সিলেটে টেস্টের দ্বিতীয় দিন সকালে পাকিস্তানের চার উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন সকালে পাকিস্তান শিবিবে জোড়া আঘাত হেনেছে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লাঞ্চ বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩০ ওভারে ৯৬/৪। বাবর আজম ৩৭ ও সালমান আঘা ৮ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।
প্রথম দিন শেষে ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে পাকিস্তান। তবে দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। দলীয় ২২ রানে প্রথম এবং এক রানের ব্যবধানে আরেক উইকেট হারায় পাকিস্তান।
প্রথম সেশন থেকেই সফরকারীদের চাপে রাখার লক্ষ্যে তাসকিন ও শরিফুল ইসলাম ব্যাটারের চাপে রেখে বল করছিলেন। ফলে উইকেট বেশ বেগ পেতে হয়নি তাদের। দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই তাসকিন ফেরালেন আব্দুল্লাহ ফজলকে।
মিরপুর টেস্টে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নেমে দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করা এই ২৩ বছর বয়সী ওপেনারের ক্যাচ ঝাঁপিয়ে তালুবন্দী করেছেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৯ রানে ফজল ফিরলেন। এক ওভার পর আবারও আক্রমণে ফিরে তাসকিন ফেরালেন আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকে।
তার বল কিছুটা দেরিতে সুইং করার পর শর্ট লেগে মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন পাকিস্তানি ওপেনার। অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান ১৩ রান করে ক্রিজ ছাড়েন। ২৩ রানে দুই ওপেনারকে হারায় তারা।
এরপর জোড়া আঘাত হানেন স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। অধিনায়ক শান মাসুদ ব্যক্তিগত ২১ রান করে মিরাজের বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। ৩ উইকেটে পাকিস্তানের রান তখন ৬১। মিরাজ নিজেদের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন দলীয ৭৯ রানে। সৌদ শাকিল ৮ রান করে লিটনের হাতে ক্যাচ দেন।
এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে সিলেটে ট হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথমদিন বাংলাদেশ শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। ফলে স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে স্বাগতিকরা। বলতে গেলে সেখান থেকে একাই টেনে তুলেছেন লিটন। তার ১২৬ রানের সুবাদে বাংলাদেশ প্রথশ ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তানের খুররম শেহজাদ নেন ৪ উইকেট।
উল্লেখ্য’ ঢাকায় সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।
